গলাচিপায় মসজিদমুখী প্রজন্ম গঠনের লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। টানা ৪১ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় ২৮ জন ক্ষুদে নামাজী শিশুকে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে গলাচিপা উপজেলার উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জননেতা জনাব হাসান মামুন নিজ হাতে শিশুদের মাঝে বাইসাইকেল উপহার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব হাসান মামুন বলেন, এই আয়োজন শুধুমাত্র একটি পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান নয়; এটি আমাদের নতুন প্রজন্মকে ইসলামের মূল্যবোধ, আদর্শ ও নামাজের গুরুত্বের সঙ্গে যুক্ত করার একটি মহৎ প্রয়াস। আজ আমরা সবাই একত্রিত হয়েছি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আল্লাহর ঘরের দিকে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে।
তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ শিশু-কিশোরদের নিয়মিত নামাজে অভ্যস্ত করে তুলবে এবং সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ।
এলাকাবাসী জনাব হাসান মামুনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে অসুস্থতা ও নানা প্রতিকূলতার মাঝেও যারা নিয়মিত নামাজ আদায় করেছে—তাদের প্রতি জানানো হয় আন্তরিক অভিনন্দন।
এই ব্যতিক্রমী নামাজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং মসজিদ কেন্দ্রিক প্রজন্ম গঠনে নতুন অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
গলাচিপায় মসজিদমুখী প্রজন্ম গঠনের লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। টানা ৪১ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় ২৮ জন ক্ষুদে নামাজী শিশুকে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে গলাচিপা উপজেলার উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জননেতা জনাব হাসান মামুন নিজ হাতে শিশুদের মাঝে বাইসাইকেল উপহার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব হাসান মামুন বলেন, এই আয়োজন শুধুমাত্র একটি পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান নয়; এটি আমাদের নতুন প্রজন্মকে ইসলামের মূল্যবোধ, আদর্শ ও নামাজের গুরুত্বের সঙ্গে যুক্ত করার একটি মহৎ প্রয়াস। আজ আমরা সবাই একত্রিত হয়েছি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আল্লাহর ঘরের দিকে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে।
তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ শিশু-কিশোরদের নিয়মিত নামাজে অভ্যস্ত করে তুলবে এবং সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ।
এলাকাবাসী জনাব হাসান মামুনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে অসুস্থতা ও নানা প্রতিকূলতার মাঝেও যারা নিয়মিত নামাজ আদায় করেছে—তাদের প্রতি জানানো হয় আন্তরিক অভিনন্দন।
এই ব্যতিক্রমী নামাজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান স্থানীয়ভাবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং মসজিদ কেন্দ্রিক প্রজন্ম গঠনে নতুন অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন