ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে আজ (১৪ জানুয়ারী) সকাল থেকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। এতে মিরপুর রোডসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয় এবং সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।
সকাল ১০টার পর থেকেই ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজসহ সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা পুরো মোড় অবরোধ করে অবস্থান নেন। একই সময়ে টেকনিক্যাল মোড় ও তাঁতীবাজার এলাকাতেও শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। শিক্ষার্থীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে “অধ্যাদেশ চাই”, “ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি চাই” ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।
শিক্ষার্থীরা জানান, প্রস্তাবিত “ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫” প্রকাশিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে এর চূড়ান্ত অনুমোদন ঝুলে আছে। দীর্ঘ একাডেমিক সেশনজট, প্রশাসনিক সমস্যা ও ফল প্রকাশের অনিয়ম বন্ধ করতে এই নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা জরুরি বলে তারা দাবি করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তব উদ্যোগের কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
অবরোধের কারণে সায়েন্সল্যাব এলাকায় যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, আসাদগেট, কলাবাগান ও মিরপুর রোডের বিভিন্ন অংশে যানজট ছড়িয়ে পড়ে। ট্রাফিক পুলিশ বিকল্প রুটে যান চলাচল পরিচালনার চেষ্টা করলেও ব্যস্ততম এই মোড় অবরোধের কারণে সামগ্রিকভাবে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। তবে আন্দোলন শান্তিপূর্ণ থাকায় সংঘর্ষ বা উত্তেজনার ঘটনা ঘটেনি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির খসড়া আইন পর্যালোচনাধীন এবং শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। আগামী ১৫ জানুয়ারি এডভাইজরি কাউন্সিলের সভায় খসড়া আইনটি আলোচনায় আসবে বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
শিক্ষার্থীদের এই অবরোধ কর্মসূচি সাত কলেজের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক দুরবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অসংগতি দূরীকরণের দাবিরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। দ্রুত সমাধান না হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে আজ (১৪ জানুয়ারী) সকাল থেকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। এতে মিরপুর রোডসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয় এবং সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।
সকাল ১০টার পর থেকেই ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজসহ সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা পুরো মোড় অবরোধ করে অবস্থান নেন। একই সময়ে টেকনিক্যাল মোড় ও তাঁতীবাজার এলাকাতেও শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। শিক্ষার্থীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে “অধ্যাদেশ চাই”, “ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি চাই” ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।
শিক্ষার্থীরা জানান, প্রস্তাবিত “ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫” প্রকাশিত হলেও দীর্ঘদিন ধরে এর চূড়ান্ত অনুমোদন ঝুলে আছে। দীর্ঘ একাডেমিক সেশনজট, প্রশাসনিক সমস্যা ও ফল প্রকাশের অনিয়ম বন্ধ করতে এই নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা জরুরি বলে তারা দাবি করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বারবার আশ্বাস দিলেও বাস্তব উদ্যোগের কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
অবরোধের কারণে সায়েন্সল্যাব এলাকায় যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, আসাদগেট, কলাবাগান ও মিরপুর রোডের বিভিন্ন অংশে যানজট ছড়িয়ে পড়ে। ট্রাফিক পুলিশ বিকল্প রুটে যান চলাচল পরিচালনার চেষ্টা করলেও ব্যস্ততম এই মোড় অবরোধের কারণে সামগ্রিকভাবে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। তবে আন্দোলন শান্তিপূর্ণ থাকায় সংঘর্ষ বা উত্তেজনার ঘটনা ঘটেনি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির খসড়া আইন পর্যালোচনাধীন এবং শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। আগামী ১৫ জানুয়ারি এডভাইজরি কাউন্সিলের সভায় খসড়া আইনটি আলোচনায় আসবে বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
শিক্ষার্থীদের এই অবরোধ কর্মসূচি সাত কলেজের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক দুরবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অসংগতি দূরীকরণের দাবিরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। দ্রুত সমাধান না হলে আন্দোলন আরও বিস্তৃত হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন