বান্দরবানের লামা উপজেলায় গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুকসহ পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কাইংপা মুরুং (৪৯)-কে গ্রেফতার করেছে লামা থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ২টার দিকে সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শিলেরতোয়া চংবট মুরুং পাড়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতার কাইংপা মুরুং ওই এলাকার মৃত রাংলাই মুরুংয়ের ছেলে।
বুধবার সকাল ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল। তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কাইংপা মুরুংয়ের মাচাংঘরে অভিযান চালিয়ে তার ঘর থেকে একটি দেশীয় একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয় এবং তাকে আটক করা হয়।
ওসি আরও জানান, নথি যাচাই করে দেখা গেছে কাইংপা মুরুংয়ের বিরুদ্ধে আলীকদম থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা (মামলা নং-৩, জিআর নং-১৩৮/২০০২) এবং আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে একটি সাজা পরোয়ানা (মামলা নং-৪, জিআর নং-১৩৯/২০০২) রয়েছে। দ্রুত বিচার আইনের মামলায় আদালত তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।
অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে লামা থানায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারায় নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ওসি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলায় গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুকসহ পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি কাইংপা মুরুং (৪৯)-কে গ্রেফতার করেছে লামা থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ২টার দিকে সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শিলেরতোয়া চংবট মুরুং পাড়ায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতার কাইংপা মুরুং ওই এলাকার মৃত রাংলাই মুরুংয়ের ছেলে।
বুধবার সকাল ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল। তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কাইংপা মুরুংয়ের মাচাংঘরে অভিযান চালিয়ে তার ঘর থেকে একটি দেশীয় একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয় এবং তাকে আটক করা হয়।
ওসি আরও জানান, নথি যাচাই করে দেখা গেছে কাইংপা মুরুংয়ের বিরুদ্ধে আলীকদম থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা (মামলা নং-৩, জিআর নং-১৩৮/২০০২) এবং আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে একটি সাজা পরোয়ানা (মামলা নং-৪, জিআর নং-১৩৯/২০০২) রয়েছে। দ্রুত বিচার আইনের মামলায় আদালত তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।
অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে লামা থানায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(ক) ধারায় নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ওসি।

আপনার মতামত লিখুন