২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা এবং ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বহাল হওয়ার দাবি জানিয়েছে। এ দাবি জানানো হয়েছে অধিনায়কের সামারি কোর্ট বিডিআর-২০০৯ নামের সংগঠনের পক্ষ থেকে।
সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তাদের অন্যান্য দাবিও প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, অতিদ্রুত স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে এবং বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কঠোরভাবে বিচার করতে হবে।
আলোচনা সভায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্য ও সংগঠনটির সভাপতি মো. জহরুল ইসলাম জহুর বলেন, “পিলখানায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং বিচার কার্যক্রমের পর যেসব বিডিআর সদস্য নিজ নিজ ইউনিটে হাজির ছিলেন, তাদের সবাইকে একই আইনে একই চার্জশিট দেওয়া হয়। এই আইনে হাজার হাজার নিরপরাধ বিডিআরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই চার্জশিটভুক্ত বাকি সদস্যদের পূর্ণ মর্যাদায় চাকরিতে বহাল রাখা হয়েছে। আমাদের সঙ্গেও অন্যায় ও অবিচার হয়েছে। তাই আমরা ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করছি।”
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “স্বাধীন তদন্ত কমিশন বহু প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা এবং চ্যালেঞ্জের মধ্যে একটি প্রতিবেদন সরকারকে দাখিল করেছে। আমরা এখনো জানি না প্রতিবেদনের সব বিষয়বস্তু কী। তবে আমরা বিশ্বাস করি, মর্মান্তিক পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত সত্য উন্মোচন এবং শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্ত বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবারের ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা পূরণে এই রিপোর্ট জাতির কাছে সত্যের নতুন দুয়ার খুলবে।”
আলোচনা সভায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্য খান আমানউল্লাহ শোয়েব, সিপাহি মো. হুমায়ুন এবং সিপাহি মো. আমিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা এবং ক্ষতিপূরণসহ পুনর্বহাল হওয়ার দাবি জানিয়েছে। এ দাবি জানানো হয়েছে অধিনায়কের সামারি কোর্ট বিডিআর-২০০৯ নামের সংগঠনের পক্ষ থেকে।
সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তাদের অন্যান্য দাবিও প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, অতিদ্রুত স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে এবং বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কঠোরভাবে বিচার করতে হবে।
আলোচনা সভায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্য ও সংগঠনটির সভাপতি মো. জহরুল ইসলাম জহুর বলেন, “পিলখানায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং বিচার কার্যক্রমের পর যেসব বিডিআর সদস্য নিজ নিজ ইউনিটে হাজির ছিলেন, তাদের সবাইকে একই আইনে একই চার্জশিট দেওয়া হয়। এই আইনে হাজার হাজার নিরপরাধ বিডিআরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই চার্জশিটভুক্ত বাকি সদস্যদের পূর্ণ মর্যাদায় চাকরিতে বহাল রাখা হয়েছে। আমাদের সঙ্গেও অন্যায় ও অবিচার হয়েছে। তাই আমরা ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করছি।”
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “স্বাধীন তদন্ত কমিশন বহু প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা এবং চ্যালেঞ্জের মধ্যে একটি প্রতিবেদন সরকারকে দাখিল করেছে। আমরা এখনো জানি না প্রতিবেদনের সব বিষয়বস্তু কী। তবে আমরা বিশ্বাস করি, মর্মান্তিক পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত সত্য উন্মোচন এবং শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্ত বিডিআর সদস্য ও তাদের পরিবারের ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা পূরণে এই রিপোর্ট জাতির কাছে সত্যের নতুন দুয়ার খুলবে।”
আলোচনা সভায় চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্য খান আমানউল্লাহ শোয়েব, সিপাহি মো. হুমায়ুন এবং সিপাহি মো. আমিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন