ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পথে তারেক রহমান


ডিপটি প্রধান :
ডিপটি প্রধান :
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬

অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পথে তারেক রহমান

বাংলাদেশের রাজনীতি আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। দীর্ঘদিনের সংঘাতমুখর রাজনৈতিক সংস্কৃতির বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষ এখন উন্নয়ন, ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান এবং একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ চায়। জনগণের এই আকাঙ্ক্ষা কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তারা এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ প্রত্যাশা করে, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু প্রতিহিংসা থাকবে না; ভিন্নমত থাকবে, কিন্তু দমন নয়।

এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যদি সময়ের এই বাস্তবতাকে অনুধাবন করে রাজনীতির ভাষা ও কৌশলে পরিবর্তন আনতে পারেন, তবে তা শুধু তাঁর দল নয়, দেশের সামগ্রিক রাজনীতির জন্যও ইতিবাচক হতে পারে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি-যেখানে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু নয়, বরং ভিন্নমতের অংশীদার হিসেবে দেখা হবে,আর এটায় হবে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার প্রধান শর্ত।

বাংলাদেশের তরুণ সমাজ, মধ্যবিত্ত শ্রেণি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আজ এমন নেতৃত্ব চায়, যারা অতীতের প্রতিশোধমূলক রাজনীতির পরিবর্তে ভবিষ্যৎকেন্দ্রিক ভাবনায় বিশ্বাসী। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, আইনের শাসন নিশ্চিতকরণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি এখন রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার মূল মাপকাঠি।

তারেক রহমান যদি এই গণআকাঙ্ক্ষাগুলোকে ধারণ করে একটি সহনশীল, উদার ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক বার্তা দিতে পারেন, তবে তিনি কেবল বিএনপির নেতা হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না। তিনি জাতীয় রাজনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য অংশীদার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পাবেন। বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন নেতৃত্বের প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পথে তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের রাজনীতি আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। দীর্ঘদিনের সংঘাতমুখর রাজনৈতিক সংস্কৃতির বাইরে গিয়ে সাধারণ মানুষ এখন উন্নয়ন, ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান এবং একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ চায়। জনগণের এই আকাঙ্ক্ষা কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তারা এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ প্রত্যাশা করে, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু প্রতিহিংসা থাকবে না; ভিন্নমত থাকবে, কিন্তু দমন নয়।


এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যদি সময়ের এই বাস্তবতাকে অনুধাবন করে রাজনীতির ভাষা ও কৌশলে পরিবর্তন আনতে পারেন, তবে তা শুধু তাঁর দল নয়, দেশের সামগ্রিক রাজনীতির জন্যও ইতিবাচক হতে পারে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি-যেখানে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু নয়, বরং ভিন্নমতের অংশীদার হিসেবে দেখা হবে,আর এটায় হবে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার প্রধান শর্ত।


বাংলাদেশের তরুণ সমাজ, মধ্যবিত্ত শ্রেণি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আজ এমন নেতৃত্ব চায়, যারা অতীতের প্রতিশোধমূলক রাজনীতির পরিবর্তে ভবিষ্যৎকেন্দ্রিক ভাবনায় বিশ্বাসী। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, আইনের শাসন নিশ্চিতকরণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি এখন রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার মূল মাপকাঠি।

তারেক রহমান যদি এই গণআকাঙ্ক্ষাগুলোকে ধারণ করে একটি সহনশীল, উদার ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক বার্তা দিতে পারেন, তবে তিনি কেবল বিএনপির নেতা হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না। তিনি জাতীয় রাজনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য অংশীদার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পাবেন। বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন নেতৃত্বের প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ