নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর নোয়াখালী সুপার মার্কেটের চতুর্থ তলায় অবস্থিত নিলয় জুয়েলার্সে বড় ধরনের চুরি সংঘটিত হওয়ার ঘটনায় আন্তঃজেলা চোরচক্রের প্রধানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চুরির ঘটনায় প্রায় ১২৭ ভরি স্বর্ণালংকার লোপাট হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—চক্রের মূলহোতা মোর্শেদ মহসিন ওরফে মোশারফ, তাঁর স্ত্রী শিল্পী আক্তার এবং সহযোগী মো. আলাউদ্দিন ওরফে পিচ্চি আলাউদ্দিন। পুলিশ জানিয়েছে, ১ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে দোকানের সাটারের তালা কেটে চুরি সংঘটিত হয়। ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ৯ ভরি ৪ আনা ৭ পয়েন্ট সোনা উদ্ধার করা হয়।
জেলা পুলিশ সুপার এ.টি.এম মোশারফ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় মোট ১১ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, “এটি একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা চোরচক্র। আমরা ইতোমধ্যে মূলহোতা ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত চলছে। তিনি ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে বলেন, দোকানপাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা কার্যকর রাখতে হবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দাবি করেছেন, বাজারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীরা পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, চক্রের অন্য সদস্যরা এখনও সক্রিয় থাকতে পারে।
নোয়াখালীর এই চুরি সাম্প্রতিক সময়ে অন্যতম বড় অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আন্তঃজেলা চোরচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং শিগগিরই পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর নোয়াখালী সুপার মার্কেটের চতুর্থ তলায় অবস্থিত নিলয় জুয়েলার্সে বড় ধরনের চুরি সংঘটিত হওয়ার ঘটনায় আন্তঃজেলা চোরচক্রের প্রধানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চুরির ঘটনায় প্রায় ১২৭ ভরি স্বর্ণালংকার লোপাট হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—চক্রের মূলহোতা মোর্শেদ মহসিন ওরফে মোশারফ, তাঁর স্ত্রী শিল্পী আক্তার এবং সহযোগী মো. আলাউদ্দিন ওরফে পিচ্চি আলাউদ্দিন। পুলিশ জানিয়েছে, ১ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে দোকানের সাটারের তালা কেটে চুরি সংঘটিত হয়। ঘটনার পরপরই সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ৯ ভরি ৪ আনা ৭ পয়েন্ট সোনা উদ্ধার করা হয়।
জেলা পুলিশ সুপার এ.টি.এম মোশারফ হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, এ ঘটনায় মোট ১১ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, “এটি একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা চোরচক্র। আমরা ইতোমধ্যে মূলহোতা ও তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
পুলিশ সুপার আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার তদন্ত চলছে। তিনি ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে বলেন, দোকানপাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা কার্যকর রাখতে হবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দাবি করেছেন, বাজারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীরা পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, চক্রের অন্য সদস্যরা এখনও সক্রিয় থাকতে পারে।
নোয়াখালীর এই চুরি সাম্প্রতিক সময়ে অন্যতম বড় অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আন্তঃজেলা চোরচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং শিগগিরই পুরো চক্রকে আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন