দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২৫ অর্থবছরে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা এ অঞ্চলের অন্য সব দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ।
এডিবির তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে পাকিস্তান ও মালদ্বীপে মূল্যস্ফীতি ছিল প্রায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। ভারত ও নেপালে এ হার ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, আর শ্রীলঙ্কা ও ভুটানে মূল্যস্ফীতি ছিল আরও কম। ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতির চাপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৭ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে। অন্যদিকে এডিবির ধারণা, একই সময়ে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৮ শতাংশে নেমে আসবে। তবে সরকারের বাজেট লক্ষ্য তুলনামূলকভাবে আরও উচ্চাভিলাষী। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বৈশ্বিক খাদ্য ও জ্বালানি বাজারে চলমান অস্থিরতা মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে।
সার্বিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বর্তমানে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। এ চাপ নিয়ন্ত্রণে আনা এখন দেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২৫ অর্থবছরে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা এ অঞ্চলের অন্য সব দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ।
এডিবির তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে পাকিস্তান ও মালদ্বীপে মূল্যস্ফীতি ছিল প্রায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। ভারত ও নেপালে এ হার ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, আর শ্রীলঙ্কা ও ভুটানে মূল্যস্ফীতি ছিল আরও কম। ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতির চাপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ।
জাতিসংঘের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৭ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে। অন্যদিকে এডিবির ধারণা, একই সময়ে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৮ শতাংশে নেমে আসবে। তবে সরকারের বাজেট লক্ষ্য তুলনামূলকভাবে আরও উচ্চাভিলাষী। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বৈশ্বিক খাদ্য ও জ্বালানি বাজারে চলমান অস্থিরতা মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে।
সার্বিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বর্তমানে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। এ চাপ নিয়ন্ত্রণে আনা এখন দেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন