ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মূল্যস্ফীতিতে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬

মূল্যস্ফীতিতে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২৫ অর্থবছরে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা এ অঞ্চলের অন্য সব দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ।

এডিবির তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে পাকিস্তান ও মালদ্বীপে মূল্যস্ফীতি ছিল প্রায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। ভারত ও নেপালে এ হার ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, আর শ্রীলঙ্কা ও ভুটানে মূল্যস্ফীতি ছিল আরও কম। ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতির চাপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৭ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে। অন্যদিকে এডিবির ধারণা, একই সময়ে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৮ শতাংশে নেমে আসবে। তবে সরকারের বাজেট লক্ষ্য তুলনামূলকভাবে আরও উচ্চাভিলাষী। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বৈশ্বিক খাদ্য ও জ্বালানি বাজারে চলমান অস্থিরতা মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে।

সার্বিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বর্তমানে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। এ চাপ নিয়ন্ত্রণে আনা এখন দেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


মূল্যস্ফীতিতে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বেশি। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ও জাতিসংঘের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২৫ অর্থবছরে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা এ অঞ্চলের অন্য সব দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ।

এডিবির তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে পাকিস্তান ও মালদ্বীপে মূল্যস্ফীতি ছিল প্রায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। ভারত ও নেপালে এ হার ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, আর শ্রীলঙ্কা ও ভুটানে মূল্যস্ফীতি ছিল আরও কম। ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতির চাপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৭ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে। অন্যদিকে এডিবির ধারণা, একই সময়ে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৮ শতাংশে নেমে আসবে। তবে সরকারের বাজেট লক্ষ্য তুলনামূলকভাবে আরও উচ্চাভিলাষী। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বৈশ্বিক খাদ্য ও জ্বালানি বাজারে চলমান অস্থিরতা মূল্যস্ফীতির ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে উঠেছে।

সার্বিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি বর্তমানে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। এ চাপ নিয়ন্ত্রণে আনা এখন দেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ