ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় হাত-পা বাঁধা ও গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় অবশেষে শনাক্ত করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের আট দিন পর নিশ্চিত হওয়া গেছে, নিহত ব্যক্তির নাম আলী মোল্লা (৩৪)। তিনি নগরকান্দা উপজেলার মধ্য জগদিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং হালিম মোল্লার ছেলে।
গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে ফরিদপুর–বরিশাল মহাসড়কের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী নারানখালি সেতুর নিচ থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহের হাত-পা বাঁধা ও গলা কাটা থাকায় ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়।
নগরকান্দা থানার ওসি রাসূল সামদানী আজাদ জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর পরিচয় শনাক্তে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য না পাওয়ায় উদ্ধারকৃত মরদেহটি পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামের নির্দেশনায় পরদিন বেওয়ারিশ হিসেবে ফরিদপুরের আলীপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত মরদেহটির পরিচয় শনাক্তে বিভিন্ন সূত্র ও নিহতের স্বজনদের সহায়তায় অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আলী মোল্লা প্রায় দুই বছর ধরে এলাকায় বসবাস করতেন না। তিনি একাধিক বিয়ে করেছিলেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী সোনিয়া আক্তার ও দুই সন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আলী মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের ভরণপোষণ দিতেন না। তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর কাজ করতেন এবং এ সংক্রান্ত কাজে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা পরিশোধ করতে না পারায় এলাকায় আসা-যাওয়া বন্ধ করে দেন।
পুলিশ জানায়, নিহতের অতীত কর্মকাণ্ড, আর্থিক লেনদেন ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব শিগগিরই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে বলে পুলিশ আশাবাদী।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় হাত-পা বাঁধা ও গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় অবশেষে শনাক্ত করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের আট দিন পর নিশ্চিত হওয়া গেছে, নিহত ব্যক্তির নাম আলী মোল্লা (৩৪)। তিনি নগরকান্দা উপজেলার মধ্য জগদিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং হালিম মোল্লার ছেলে।
গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে ফরিদপুর–বরিশাল মহাসড়কের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী নারানখালি সেতুর নিচ থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। মরদেহের হাত-পা বাঁধা ও গলা কাটা থাকায় ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়।
নগরকান্দা থানার ওসি রাসূল সামদানী আজাদ জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর পরিচয় শনাক্তে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য না পাওয়ায় উদ্ধারকৃত মরদেহটি পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামের নির্দেশনায় পরদিন বেওয়ারিশ হিসেবে ফরিদপুরের আলীপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত মরদেহটির পরিচয় শনাক্তে বিভিন্ন সূত্র ও নিহতের স্বজনদের সহায়তায় অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আলী মোল্লা প্রায় দুই বছর ধরে এলাকায় বসবাস করতেন না। তিনি একাধিক বিয়ে করেছিলেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী সোনিয়া আক্তার ও দুই সন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আলী মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের ভরণপোষণ দিতেন না। তিনি বিদেশে লোক পাঠানোর কাজ করতেন এবং এ সংক্রান্ত কাজে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা পরিশোধ করতে না পারায় এলাকায় আসা-যাওয়া বন্ধ করে দেন।
পুলিশ জানায়, নিহতের অতীত কর্মকাণ্ড, আর্থিক লেনদেন ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খুব শিগগিরই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে বলে পুলিশ আশাবাদী।

আপনার মতামত লিখুন