ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ ও ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি পৃথক দুটি অপরাধে মোট দুই হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ৪নং গাজীরটেক ইউনিয়নের নতুন দোকান সংলগ্ন জয়দেব সরকারের ডাঙ্গী এলাকায় পদ্মা নদীর তীরবর্তী স্থানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যায়েদ হোসাইনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ভেকু, পাইপসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় কিছু সরঞ্জাম ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া উপজেলার পূর্ব বিএস ডাঙ্গী এলাকায় একটেল টাওয়ার সংলগ্ন মোল্লা স’ মিলের সামনে প্রধান সড়কের পাশে এলোমেলোভাবে গাছ রেখে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় মিল মালিক বাবু সরকার (বুচা সরকার)-কে ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯-এর ৮৯ ধারায় দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র ড্রেজার ও ভেকু মেশিন ব্যবহার করে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছিল। এর ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নদী ও শহর রক্ষা বাঁধ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছিল।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এতে কৃষিজমি, বসতভিটা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়মিত মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বা ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা মোবাইল কোর্টের এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনকারীরা সমাজ ও দেশের জন্য ক্ষতিকর। তাদের কর্মকাণ্ডে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ ও ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি পৃথক দুটি অপরাধে মোট দুই হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ৪নং গাজীরটেক ইউনিয়নের নতুন দোকান সংলগ্ন জয়দেব সরকারের ডাঙ্গী এলাকায় পদ্মা নদীর তীরবর্তী স্থানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যায়েদ হোসাইনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ভেকু, পাইপসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় কিছু সরঞ্জাম ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া উপজেলার পূর্ব বিএস ডাঙ্গী এলাকায় একটেল টাওয়ার সংলগ্ন মোল্লা স’ মিলের সামনে প্রধান সড়কের পাশে এলোমেলোভাবে গাছ রেখে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় মিল মালিক বাবু সরকার (বুচা সরকার)-কে ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯-এর ৮৯ ধারায় দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র ড্রেজার ও ভেকু মেশিন ব্যবহার করে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছিল। এর ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নদী ও শহর রক্ষা বাঁধ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছিল।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এতে কৃষিজমি, বসতভিটা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়মিত মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বা ফসলি জমি নষ্ট করে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা মোবাইল কোর্টের এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনকারীরা সমাজ ও দেশের জন্য ক্ষতিকর। তাদের কর্মকাণ্ডে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন