ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় এক কৃষক ও ফাস্টফুড বিক্রেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোরের দিকে উপজেলার তাহেরহুদা গ্রামের তালাক মাঠ এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইদুর রহমান (৫০) ওই গ্রামের মৃত সাবান আলী জোয়ার্দ্দারের মেজ ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন এবং পাশাপাশি ফাস্টফুড ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে সাইদুর রহমান তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান। শনিবার বিকেলে সেখান থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রোববার রাত ৪ জানুয়ারি তালাক মাঠের নিজ পানের বরজের পাশে একটি ক্যানালের ধারে জাম গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে হরিণাকুণ্ডু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম কিবরিয়া জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় এক কৃষক ও ফাস্টফুড বিক্রেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৪ জানুয়ারি) ভোরের দিকে উপজেলার তাহেরহুদা গ্রামের তালাক মাঠ এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইদুর রহমান (৫০) ওই গ্রামের মৃত সাবান আলী জোয়ার্দ্দারের মেজ ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন এবং পাশাপাশি ফাস্টফুড ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে সাইদুর রহমান তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান। শনিবার বিকেলে সেখান থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রোববার রাত ৪ জানুয়ারি তালাক মাঠের নিজ পানের বরজের পাশে একটি ক্যানালের ধারে জাম গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে হরিণাকুণ্ডু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হরিণাকুণ্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম কিবরিয়া জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন