হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগে ছোট ভাই ওবায়েদ কে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর লাখাই থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়েরের পরপরই ঘটনায় র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গত ৩ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানাধীন রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মো. ওবায়েদ মিয়া (২০), লাখাই উপজেলার বামৈ পশ্চিম পাড়া গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাকে লাখাই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নিহত জুনাইদ মিয়া একই গ্রামের বাসিন্দা এবং আবুল খায়েরের বড় ছেলে। প্রায় চার বছর আগে বিয়ের কিছুদিন পর তাকে পরিবার থেকে পৃথক করে দেওয়া হলে তিনি স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। গত ২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে তিনি পিতার বাড়িতে এসে ঘর নির্মাণ করে স্ত্রীকে নিয়ে সেখানে বসবাসের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে নিহতের পিতা তাকে বাড়ি ছেড়ে যেতে বললে তর্ক-বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করে। এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হলে পাশে থাকা ছোট ভাই ওবায়েদ মিয়া একটি ইট দিয়ে জুনাইদ মিয়ার মাথার বাম পাশে সজোরে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় লাখাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, এলিট ফোর্স হিসেবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাব-৯ হত্যা, ধর্ষণ, মাদক কারবার, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জঙ্গিবাদ ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীর প্রতিটি সদস্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগে ছোট ভাই ওবায়েদ কে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর লাখাই থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়েরের পরপরই ঘটনায় র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গত ৩ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানাধীন রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মো. ওবায়েদ মিয়া (২০), লাখাই উপজেলার বামৈ পশ্চিম পাড়া গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাকে লাখাই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নিহত জুনাইদ মিয়া একই গ্রামের বাসিন্দা এবং আবুল খায়েরের বড় ছেলে। প্রায় চার বছর আগে বিয়ের কিছুদিন পর তাকে পরিবার থেকে পৃথক করে দেওয়া হলে তিনি স্ত্রীসহ শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। গত ২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে তিনি পিতার বাড়িতে এসে ঘর নির্মাণ করে স্ত্রীকে নিয়ে সেখানে বসবাসের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে নিহতের পিতা তাকে বাড়ি ছেড়ে যেতে বললে তর্ক-বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করে। এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হলে পাশে থাকা ছোট ভাই ওবায়েদ মিয়া একটি ইট দিয়ে জুনাইদ মিয়ার মাথার বাম পাশে সজোরে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় লাখাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, এলিট ফোর্স হিসেবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই র্যাব-৯ হত্যা, ধর্ষণ, মাদক কারবার, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জঙ্গিবাদ ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীর প্রতিটি সদস্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন