পৌষের মাঝামাঝি সময়ে শীতের তীব্রতায় কাঁপছে সারাদেশ। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় শীত কমার কোনো আপাত সুখবর নেই। বরং দেশের কয়েকটি জেলায় বইতে থাকা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিনে আরও বিস্তৃত ও তীব্র হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকার পাশাপাশি এর তীব্রতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দিল্লি থেকে বাংলাদেশের দিকে একটি বিস্তৃত কুয়াশাবেল্ট অগ্রসর হয়েছে। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ দিয়ে প্রবেশ করা এই কুয়াশা শনিবার রাত থেকে ধীরে ধীরে দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে দৃশ্যমানতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
কয়েক দিন ধরে কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে আছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও ও শরীয়তপুরে হিমেল বাতাসের সঙ্গে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। হাড় কাঁপানো শীতে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন।
রাজধানী ঢাকাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে। কুয়াশার কারণে বিভিন্ন এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলে ধীরগতি দেখা গেছে। এর সঙ্গে হিমেল বাতাস যুক্ত হওয়ায় নগরজীবনেও নেমে এসেছে এক ধরনের স্থবিরতা।
শীতের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বেড়েছে। অনেক হাসপাতালে শয্যার তুলনায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি। চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও বৃদ্ধরা এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
পৌষের মাঝামাঝি সময়ে শীতের তীব্রতায় কাঁপছে সারাদেশ। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় শীত কমার কোনো আপাত সুখবর নেই। বরং দেশের কয়েকটি জেলায় বইতে থাকা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিনে আরও বিস্তৃত ও তীব্র হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বর্তমানে রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকার পাশাপাশি এর তীব্রতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দিল্লি থেকে বাংলাদেশের দিকে একটি বিস্তৃত কুয়াশাবেল্ট অগ্রসর হয়েছে। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ দিয়ে প্রবেশ করা এই কুয়াশা শনিবার রাত থেকে ধীরে ধীরে দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে, যার ফলে দৃশ্যমানতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
কয়েক দিন ধরে কনকনে ঠান্ডায় স্থবির হয়ে আছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। ঠাকুরগাঁও ও শরীয়তপুরে হিমেল বাতাসের সঙ্গে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। হাড় কাঁপানো শীতে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে রয়েছেন।
রাজধানী ঢাকাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে। কুয়াশার কারণে বিভিন্ন এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলে ধীরগতি দেখা গেছে। এর সঙ্গে হিমেল বাতাস যুক্ত হওয়ায় নগরজীবনেও নেমে এসেছে এক ধরনের স্থবিরতা।
শীতের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ বেড়েছে। অনেক হাসপাতালে শয্যার তুলনায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি। চিকিৎসকদের মতে, শিশু ও বৃদ্ধরা এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন