দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়নের কুলানন্দপুর গ্রামে করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার কুলানন্দপুর গ্রামে করতোয়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় হাতেনাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় একটি বালু ভর্তি ট্রাক্টর জব্দ করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়নের কুলানন্দপুর গ্রামের মমতাজ আলীর ছেলে শামীম মিয়া (৩৫) এবং একই গ্রামের কালাম উদ্দিনের ছেলে শরিয়ত আলী (৩২)। পুলিশ জানায়, মামলায় শামীম মিয়া ১ নম্বর আসামি এবং শরিয়ত আলী ৪ নম্বর আসামি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় করতোয়া নদী থেকে সরকারি অনুমতি ছাড়া বালু উত্তোলনের দায়ে উপজেলা উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বাদী হয়ে থানায় মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে বালুমহাল ও ভূমি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন,, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নদী ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়নের কুলানন্দপুর গ্রামে করতোয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার কুলানন্দপুর গ্রামে করতোয়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় হাতেনাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় একটি বালু ভর্তি ট্রাক্টর জব্দ করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— উপজেলার বুলাকীপুর ইউনিয়নের কুলানন্দপুর গ্রামের মমতাজ আলীর ছেলে শামীম মিয়া (৩৫) এবং একই গ্রামের কালাম উদ্দিনের ছেলে শরিয়ত আলী (৩২)। পুলিশ জানায়, মামলায় শামীম মিয়া ১ নম্বর আসামি এবং শরিয়ত আলী ৪ নম্বর আসামি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় করতোয়া নদী থেকে সরকারি অনুমতি ছাড়া বালু উত্তোলনের দায়ে উপজেলা উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বাদী হয়ে থানায় মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে বালুমহাল ও ভূমি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন,, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নদী ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন