রাজধানীর শাহজাদপুরের গুলবাগ এলাকায় শনিবার দুপুরে বাড়িতে চুরি করতে ঢোকা এক সুবিস্তর অপরাধীর ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে পরবর্তীতে মারা গেছেন গৃহকর্তা এবি এম শফিউল হক (৬০)। ঘটনায় উদ্বিগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অপরাধ প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
শনিবার দুপুর প্রায় ২টার দিকে শাহজাহানপুর থানার ৩৫০ নম্বর গুলবাগ এলাকার নিজ বাড়িতে শফিউল হক একাই ছিলেন। এ সময় এক চোর গৃহে ঢুকে চুরির চেষ্টা শুরু করে। গৃহকর্তা তাকে বাধা দিতে গেলে চোরের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, শফিউল হক চোরকে আটকানোর চেষ্টা করলে চোর তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন।
পর নিহতের ছেলে সামিউল হক জানান, বাবা যখন বৃদ্ধ ও বয়সজনিত কারণে চলাফেরা কম করতেন, তখন এমন একটি ঘটনা তাদের জন্য খুবই আকস্মিক এবং ধ্বংসাত্মক প্রমাণিত হয়। তিনি বলেন, “বাড়ির ভেতরে জায়গা পেয়েই চোর ঢোকা শুরু করেছিল। বাবা তাকে থামাতে গেলে তার সঙ্গে ধাক্কার ধাক্কার সময় বাবাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় এবং তিনি মাটিতে আঘাত পান।”
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেআহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনাস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য শাজাহানপুর থানাকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে অভিযুক্ত চোরকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।
স্থানীয়দের কথায়, ঘটনা মহল্লায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং তারা চাইছেন যেন এমন অপরাধ থেকে রক্ষা পেতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্ত করা হয়। বিশেষ করে দিনের বেলা এমন চুরি ও সংঘর্ষের ঘটনা বাড়লে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পাবে, এমনটাই তাদের অভিমত।
এই ধরনের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে এককথায় ব্যতিক্রম ঘটনা নয়; এছাড়া বিভিন্ন অঞ্চলে চুরির সময় বা সন্দেহভাজনদের আটক করার সময় সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনার গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে প্রতি ঘটনার পৃথক পরিস্থিতি ও তদন্তের ভিত্তিতেই উপযুক্ত প্রতিকার ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণের অনুরোধ করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর শাহজাদপুরের গুলবাগ এলাকায় শনিবার দুপুরে বাড়িতে চুরি করতে ঢোকা এক সুবিস্তর অপরাধীর ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে পরবর্তীতে মারা গেছেন গৃহকর্তা এবি এম শফিউল হক (৬০)। ঘটনায় উদ্বিগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অপরাধ প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
শনিবার দুপুর প্রায় ২টার দিকে শাহজাহানপুর থানার ৩৫০ নম্বর গুলবাগ এলাকার নিজ বাড়িতে শফিউল হক একাই ছিলেন। এ সময় এক চোর গৃহে ঢুকে চুরির চেষ্টা শুরু করে। গৃহকর্তা তাকে বাধা দিতে গেলে চোরের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, শফিউল হক চোরকে আটকানোর চেষ্টা করলে চোর তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন।
পর নিহতের ছেলে সামিউল হক জানান, বাবা যখন বৃদ্ধ ও বয়সজনিত কারণে চলাফেরা কম করতেন, তখন এমন একটি ঘটনা তাদের জন্য খুবই আকস্মিক এবং ধ্বংসাত্মক প্রমাণিত হয়। তিনি বলেন, “বাড়ির ভেতরে জায়গা পেয়েই চোর ঢোকা শুরু করেছিল। বাবা তাকে থামাতে গেলে তার সঙ্গে ধাক্কার ধাক্কার সময় বাবাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় এবং তিনি মাটিতে আঘাত পান।”
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেআহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনাস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য শাজাহানপুর থানাকে জানানো হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে অভিযুক্ত চোরকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।
স্থানীয়দের কথায়, ঘটনা মহল্লায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং তারা চাইছেন যেন এমন অপরাধ থেকে রক্ষা পেতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্ত করা হয়। বিশেষ করে দিনের বেলা এমন চুরি ও সংঘর্ষের ঘটনা বাড়লে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পাবে, এমনটাই তাদের অভিমত।
এই ধরনের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে এককথায় ব্যতিক্রম ঘটনা নয়; এছাড়া বিভিন্ন অঞ্চলে চুরির সময় বা সন্দেহভাজনদের আটক করার সময় সাধারণ মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনার গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে প্রতি ঘটনার পৃথক পরিস্থিতি ও তদন্তের ভিত্তিতেই উপযুক্ত প্রতিকার ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণের অনুরোধ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন