নির্বাচনের আগে রাজধানীতে আগামী ৯ জানুয়ারি ডাকা মহাসমাবেশ স্থগিত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা ও চলমান নির্বাচনি পরিবেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নিয়মিত বৈঠকে মহাসমাবেশ স্থগিতের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত দলের এক সভায় শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবিতে আগামী ৯ জানুয়ারি রাজধানীতে জাতীয় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন।
তবে একই দিনে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় এবং নির্বাচনি পরিবেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে শেষ পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাই, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমাদ আব্দুল কাইয়ুম, কেএম আতিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিকসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরেন। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপির ব্যাপক লোকসমাগম ঘটে। নির্বাচনের আগে এই শোডাউনের মধ্য দিয়ে দলটি নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে।
এরপর জামায়াতে ইসলামী ৩ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশের ঘোষণা দেয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার কারণে জামায়াতও তাদের কর্মসূচি স্থগিত করে। সর্বশেষ একই কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও মহাসমাবেশ স্থগিতের ঘোষণা দিল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনের আগে রাজধানীতে আগামী ৯ জানুয়ারি ডাকা মহাসমাবেশ স্থগিত করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা ও চলমান নির্বাচনি পরিবেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নিয়মিত বৈঠকে মহাসমাবেশ স্থগিতের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত দলের এক সভায় শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবিতে আগামী ৯ জানুয়ারি রাজধানীতে জাতীয় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন।
তবে একই দিনে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় এবং নির্বাচনি পরিবেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে শেষ পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, শায়েখে চরমোনাই, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমাদ আব্দুল কাইয়ুম, কেএম আতিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিকসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরেন। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপির ব্যাপক লোকসমাগম ঘটে। নির্বাচনের আগে এই শোডাউনের মধ্য দিয়ে দলটি নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে।
এরপর জামায়াতে ইসলামী ৩ জানুয়ারি রাজধানীতে মহাসমাবেশের ঘোষণা দেয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার কারণে জামায়াতও তাদের কর্মসূচি স্থগিত করে। সর্বশেষ একই কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও মহাসমাবেশ স্থগিতের ঘোষণা দিল।

আপনার মতামত লিখুন