কক্সবাজারে শীতের তীব্রতা গত কয়েক দিনে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে সকাল থেকে কুয়াশার চাদরে মুড়ে থাকে সমুদ্র এলাকা। সমুদ্রবাতাসে শীতের স্পর্শ আরও গা ছমছমে অনুভব করায় স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদের মাঝেও শীতের আমেজ স্পষ্টভাবে ধরা পড়ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে সমুদ্র উপকূলে তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও বাড়ছে এবং আগামী দু-একদিন শীতের তীব্রতা বজায় থাকতে পারে।
এদিকে বড়দিন, সাপ্তাহিক ছুটি ও বছরের শেষভাগের উৎসবকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা লাখো মানুষ ছুটির আনন্দকে উপভোগ করতে ছুটে এসেছেন বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে। লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী, ইনানি ও হিমছড়ি সৈকতজুড়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অতিরিক্ত ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সৈকতের প্রতিটি পয়েন্টে পর্যটকরা ঢেউয়ের গর্জন উপভোগ করছেন, ছবি তুলছেন এবং শীতের ঠান্ডা বাতাসে সময় কাটাচ্ছেন পরিবার-পরিজন নিয়ে।
পর্যটন এলাকায় বেড়েছে হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের চাহিদা। প্রায় সব আবাসিক হোটেলেই বুকিং পূর্ণ হয়ে গেছে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ছুটির দীর্ঘসূত্রতার কারণে পর্যটকের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। রেস্তোরাঁ, সি-সাফারি, জেট স্কি, বিচ বাইকিংসহ বিভিন্ন বিনোদন সেবা পরিচালনায় ব্যস্ততা বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের আশা, এই মৌসুমে পর্যটন বাণিজ্যে রেকর্ড আয় হতে পারে।
বাড়তি ভিড়কে কেন্দ্র করে প্রশাসনও নিয়েছে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। পর্যটন পুলিশ, কোস্টগার্ড, লাইফগার্ড ও স্বেচ্ছাসেবীরা সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিয়োজিত রয়েছে। সমুদ্রসৈকতে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে বিশেষ টিম কাজ করছে।
শীতের তীব্রতা ও ভিড় থাকা সত্ত্বেও পর্যটকদের আনন্দে ছেদ পড়েনি। বরং অনেকেই বলছেন, শীতের ঠান্ডা বাতাস সমুদ্র ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য করে তুলেছে। বছরের শেষ ছুটিকে স্মরণীয় করে রাখতে কক্সবাজারে এখন উৎসবের রঙ, পর্যটকদের হাসি আর ঢেউয়ের শব্দ মিলেমিশে এক প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
কক্সবাজারে শীতের তীব্রতা গত কয়েক দিনে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে সকাল থেকে কুয়াশার চাদরে মুড়ে থাকে সমুদ্র এলাকা। সমুদ্রবাতাসে শীতের স্পর্শ আরও গা ছমছমে অনুভব করায় স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদের মাঝেও শীতের আমেজ স্পষ্টভাবে ধরা পড়ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে সমুদ্র উপকূলে তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও বাড়ছে এবং আগামী দু-একদিন শীতের তীব্রতা বজায় থাকতে পারে।
এদিকে বড়দিন, সাপ্তাহিক ছুটি ও বছরের শেষভাগের উৎসবকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা লাখো মানুষ ছুটির আনন্দকে উপভোগ করতে ছুটে এসেছেন বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে। লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী, ইনানি ও হিমছড়ি সৈকতজুড়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অতিরিক্ত ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সৈকতের প্রতিটি পয়েন্টে পর্যটকরা ঢেউয়ের গর্জন উপভোগ করছেন, ছবি তুলছেন এবং শীতের ঠান্ডা বাতাসে সময় কাটাচ্ছেন পরিবার-পরিজন নিয়ে।
পর্যটন এলাকায় বেড়েছে হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টের চাহিদা। প্রায় সব আবাসিক হোটেলেই বুকিং পূর্ণ হয়ে গেছে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ছুটির দীর্ঘসূত্রতার কারণে পর্যটকের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। রেস্তোরাঁ, সি-সাফারি, জেট স্কি, বিচ বাইকিংসহ বিভিন্ন বিনোদন সেবা পরিচালনায় ব্যস্ততা বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের আশা, এই মৌসুমে পর্যটন বাণিজ্যে রেকর্ড আয় হতে পারে।
বাড়তি ভিড়কে কেন্দ্র করে প্রশাসনও নিয়েছে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। পর্যটন পুলিশ, কোস্টগার্ড, লাইফগার্ড ও স্বেচ্ছাসেবীরা সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিয়োজিত রয়েছে। সমুদ্রসৈকতে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে বিশেষ টিম কাজ করছে।
শীতের তীব্রতা ও ভিড় থাকা সত্ত্বেও পর্যটকদের আনন্দে ছেদ পড়েনি। বরং অনেকেই বলছেন, শীতের ঠান্ডা বাতাস সমুদ্র ভ্রমণকে আরও উপভোগ্য করে তুলেছে। বছরের শেষ ছুটিকে স্মরণীয় করে রাখতে কক্সবাজারে এখন উৎসবের রঙ, পর্যটকদের হাসি আর ঢেউয়ের শব্দ মিলেমিশে এক প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন