বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ নতুন করে গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যাবে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
শুক্রবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ৩০০ ফিট রোডে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ দীর্ঘদিন রাজনৈতিক উৎকণ্ঠা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নির্বাচনী অধিকার সীমাবদ্ধতার মধ্যে দিয়ে গেছে। এই দীর্ঘ সময়ের বিরামহীন সংগ্রাম ও আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা ঐক্যই তারেক রহমানের দেশে ফেরা আরও শক্তিশালী করেছে এবং এটি গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরুর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বেই বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে বিদেশে অবস্থান করেও তিনি দল ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে জোরদার করেছেন। মির্জা ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জয়ী হবে এবং গণতন্ত্র, স্বচ্ছ নির্বাচন ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে দেশকে এগিয়ে নেবে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতি দেখা যায়। নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে তার গাড়িবহরকে অভিনন্দন জানান এবং তারেক রহমান জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে সাড়া দেন। উপস্থিত জনসমাগমে তিনি উৎসাহিত মনোভাব প্রকাশ করেন এবং সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন শুধু বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের জন্য নয়, বরং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক দৃশ্যপটেও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনও মনে করছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধার এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের সুযোগ তৈরি করতে সহায়ক হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এখন আগের চেয়ে আরও জোরালো হয়েছে। তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও নাগরিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান, যেন বাংলাদেশ একটি স্বতন্ত্র, সুশৃঙ্খল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারেক রহমানের হাত ধরে বাংলাদেশ নতুন করে গণতান্ত্রিক পথে এগিয়ে যাবে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
শুক্রবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ৩০০ ফিট রোডে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ দীর্ঘদিন রাজনৈতিক উৎকণ্ঠা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নির্বাচনী অধিকার সীমাবদ্ধতার মধ্যে দিয়ে গেছে। এই দীর্ঘ সময়ের বিরামহীন সংগ্রাম ও আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা ঐক্যই তারেক রহমানের দেশে ফেরা আরও শক্তিশালী করেছে এবং এটি গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা শুরুর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বেই বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে বিদেশে অবস্থান করেও তিনি দল ও সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে রাজনৈতিক অংশগ্রহণকে জোরদার করেছেন। মির্জা ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জয়ী হবে এবং গণতন্ত্র, স্বচ্ছ নির্বাচন ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে দেশকে এগিয়ে নেবে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতি দেখা যায়। নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে তার গাড়িবহরকে অভিনন্দন জানান এবং তারেক রহমান জনতার উদ্দেশে হাত নেড়ে সাড়া দেন। উপস্থিত জনসমাগমে তিনি উৎসাহিত মনোভাব প্রকাশ করেন এবং সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন শুধু বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের জন্য নয়, বরং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক দৃশ্যপটেও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনও মনে করছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধার এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের সুযোগ তৈরি করতে সহায়ক হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এখন আগের চেয়ে আরও জোরালো হয়েছে। তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও নাগরিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান, যেন বাংলাদেশ একটি স্বতন্ত্র, সুশৃঙ্খল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন