ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মহারাজপুর গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের গোপাল কর্মকারের ছেলে দ্বীপ কর্মকারের সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার এরশাদুল হকের মেয়ে রেশমি খাতুনের প্রায় এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।
রেশমির ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি কুড়িগ্রাম থেকে মুকসুদপুরের মহারাজপুর গ্রামে দ্বীপ কর্মকারের বাড়িতে আসেন। সেখানে পৌঁছে তিনি দ্বীপকে বিয়ে করার ইচ্ছার কথা জানান এবং তার বাড়িতে অবস্থান নেন।
ভিন্ন ধর্মাবলম্বী দুই তরুণ-তরুণীর বিয়ের সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বুধবার সকালে স্থানীয়রা দুজনকে মুকসুদপুর থানায় নিয়ে যান।
রেশমি খাতুন বলেন, “দ্বীপের সঙ্গে আমার প্রায় এক বছরের সম্পর্ক। আমাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে। তাই আমি তাকে বিয়ে করার দাবিতে তার বাড়িতে এসেছি।”
অন্যদিকে দ্বীপ কর্মকারও তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা একে অপরকে ভালোবাসি। আমি ওকে আসতে বলেছি। আমি ওকে বিয়ে করব।”
মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে এবং স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
তবে দুজনের বয়স, বিয়ের আইনগত প্রক্রিয়া এবং উভয় পরিবারের সম্মতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মহারাজপুর গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের গোপাল কর্মকারের ছেলে দ্বীপ কর্মকারের সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী থানার এরশাদুল হকের মেয়ে রেশমি খাতুনের প্রায় এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।
রেশমির ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি কুড়িগ্রাম থেকে মুকসুদপুরের মহারাজপুর গ্রামে দ্বীপ কর্মকারের বাড়িতে আসেন। সেখানে পৌঁছে তিনি দ্বীপকে বিয়ে করার ইচ্ছার কথা জানান এবং তার বাড়িতে অবস্থান নেন।
ভিন্ন ধর্মাবলম্বী দুই তরুণ-তরুণীর বিয়ের সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বুধবার সকালে স্থানীয়রা দুজনকে মুকসুদপুর থানায় নিয়ে যান।
রেশমি খাতুন বলেন, “দ্বীপের সঙ্গে আমার প্রায় এক বছরের সম্পর্ক। আমাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে। তাই আমি তাকে বিয়ে করার দাবিতে তার বাড়িতে এসেছি।”
অন্যদিকে দ্বীপ কর্মকারও তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা একে অপরকে ভালোবাসি। আমি ওকে আসতে বলেছি। আমি ওকে বিয়ে করব।”
মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে এবং স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
তবে দুজনের বয়স, বিয়ের আইনগত প্রক্রিয়া এবং উভয় পরিবারের সম্মতির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন