নিহত আরিফুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে শহীদ আবদুর রব হলের গেটে ব্যানার লাগাচ্ছিলেন আরিফুল। এ সময় হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি নিচে পড়ে যান। ঘটনাস্থলে থাকা শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান।
সেখানে প্রাথমিকভাবে তার অবস্থা গুরুতর দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে পথেই তার মৃত্যু হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
শহীদ আবদুর রব হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) মো. বোরহান উদ্দিন আরিফুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আমি এভারকেয়ারের কাছে আছি। আরিফ আর আমাদের মাঝে নাই। আরিফ আল্লাহর জিম্মায় চলে গিয়েছে।”
চবি মেডিকেল সেন্টারের প্রধান চিকিৎসক ডা. আবু তৈয়ব জানান, অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ফোন পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকায় আরিফুলকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো সম্ভব হয়। তবে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার ধারণা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পরপরই আরিফুলের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
ডা. আবু তৈয়ব বলেন, “অ্যাম্বুলেন্স থেকে ফোন পাওয়ার পর আমি বিষয়টি দেখেছি। অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত ছিল, তাই আসার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নিয়ে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।”
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন এবং সেখানে পৌঁছে পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এমন আকস্মিক দুর্ঘটনায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে সহপাঠী ও পরিচিতদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে। কীভাবে ব্যানার লাগানোর সময় আরিফুল বিদ্যুতের সংস্পর্শে এলেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিহত আরিফুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে শহীদ আবদুর রব হলের গেটে ব্যানার লাগাচ্ছিলেন আরিফুল। এ সময় হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি নিচে পড়ে যান। ঘটনাস্থলে থাকা শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান।
সেখানে প্রাথমিকভাবে তার অবস্থা গুরুতর দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে পথেই তার মৃত্যু হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
শহীদ আবদুর রব হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) মো. বোরহান উদ্দিন আরিফুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আমি এভারকেয়ারের কাছে আছি। আরিফ আর আমাদের মাঝে নাই। আরিফ আল্লাহর জিম্মায় চলে গিয়েছে।”
চবি মেডিকেল সেন্টারের প্রধান চিকিৎসক ডা. আবু তৈয়ব জানান, অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ফোন পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকায় আরিফুলকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো সম্ভব হয়। তবে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার ধারণা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পরপরই আরিফুলের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
ডা. আবু তৈয়ব বলেন, “অ্যাম্বুলেন্স থেকে ফোন পাওয়ার পর আমি বিষয়টি দেখেছি। অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত ছিল, তাই আসার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নিয়ে তাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।”
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নুরুল হামিদ কানন জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন এবং সেখানে পৌঁছে পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এমন আকস্মিক দুর্ঘটনায় এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে সহপাঠী ও পরিচিতদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে। কীভাবে ব্যানার লাগানোর সময় আরিফুল বিদ্যুতের সংস্পর্শে এলেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন