ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া এলাকায় সবজি চাষীদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে। সম্প্রতি এখানকার করলা গাছে এক ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হয়েছে, ফলে গাছে ধরেছে পচন। সরেজমিনে রুহিয়া এলাকার ৩নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ী টাওয়ার মার্কেট সংলগ্ন জমিগুলোতে গিয়ে দেখা যায় এক আশঙ্কাজনক চিত্র। অধিক লাভের আশায় যেসব কৃষক ধান চাষ বাদ দিয়ে সবজি চাষ শুরু করেছিলেন, তারা এখন চরম বিপাকে। লাভ তো দূরের কথা, মূল পুঁজি তোলা নিয়েই দেখা দিয়েছে ঘোর সংশয়। স্থানীয় কৃষক গুলজার হোসেন তার ক্ষোভ ও দুর্দশার কথা জানিয়ে বলেন, আমি গত ৩ বছর ধরে ৪ বিঘা জমিতে সবজি চাষ করছি। কিন্তু বারবার পোকা ও ভাইরাসের আক্রমণে ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লাভ তো হচ্ছেই না, উল্টো চালানের টাকাই উঠছে না। পোকামাকড় ও ভাইরাসের আক্রমণ থেকে ফসল বাঁচাতে কৃষকেরা বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানির শরণাপন্ন হলেও কোনো কার্যকর ফল পাচ্ছেন না। শুধু তাই নয়, স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সঠিক সময়ে পাশে না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কৃষক গুলজার, আহসান হাবিব মাস্টার, মিঠুন, ছাবিরুল ও ভোলা মাস্টার সহ একাধিক স্থানীয় কৃষক আক্ষেপ করে জানান, বালাই দমন বা আধুনিক চাষাবাদের পরামর্শের জন্য তারা কৃষি কর্মকর্তাদের কাছে পান না। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বছরে দু-একদিন ইউনিয়ন পরিষদে আসলেও সংকটের মুহূর্তে তাদের খোঁজ মেলে না। কৃষকদের এই ভোগান্তি ও অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রুহিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার (অ:দা:) নাসিরুল আলম জানান, ভুক্তভোগী কৃষকদের নাম ও ঠিকানা মেসেজ বা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিন। আমি আগামীকালই সেখানে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে সরজমিনে পরিদর্শনের জন্য পাঠাচ্ছি।

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া এলাকায় সবজি চাষীদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে। সম্প্রতি এখানকার করলা গাছে এক ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হয়েছে, ফলে গাছে ধরেছে পচন। সরেজমিনে রুহিয়া এলাকার ৩নং রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ী টাওয়ার মার্কেট সংলগ্ন জমিগুলোতে গিয়ে দেখা যায় এক আশঙ্কাজনক চিত্র। অধিক লাভের আশায় যেসব কৃষক ধান চাষ বাদ দিয়ে সবজি চাষ শুরু করেছিলেন, তারা এখন চরম বিপাকে। লাভ তো দূরের কথা, মূল পুঁজি তোলা নিয়েই দেখা দিয়েছে ঘোর সংশয়। স্থানীয় কৃষক গুলজার হোসেন তার ক্ষোভ ও দুর্দশার কথা জানিয়ে বলেন, আমি গত ৩ বছর ধরে ৪ বিঘা জমিতে সবজি চাষ করছি। কিন্তু বারবার পোকা ও ভাইরাসের আক্রমণে ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লাভ তো হচ্ছেই না, উল্টো চালানের টাকাই উঠছে না। পোকামাকড় ও ভাইরাসের আক্রমণ থেকে ফসল বাঁচাতে কৃষকেরা বিভিন্ন কীটনাশক কোম্পানির শরণাপন্ন হলেও কোনো কার্যকর ফল পাচ্ছেন না। শুধু তাই নয়, স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সঠিক সময়ে পাশে না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কৃষক গুলজার, আহসান হাবিব মাস্টার, মিঠুন, ছাবিরুল ও ভোলা মাস্টার সহ একাধিক স্থানীয় কৃষক আক্ষেপ করে জানান, বালাই দমন বা আধুনিক চাষাবাদের পরামর্শের জন্য তারা কৃষি কর্মকর্তাদের কাছে পান না। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বছরে দু-একদিন ইউনিয়ন পরিষদে আসলেও সংকটের মুহূর্তে তাদের খোঁজ মেলে না। কৃষকদের এই ভোগান্তি ও অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রুহিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার (অ:দা:) নাসিরুল আলম জানান, ভুক্তভোগী কৃষকদের নাম ও ঠিকানা মেসেজ বা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিন। আমি আগামীকালই সেখানে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে সরজমিনে পরিদর্শনের জন্য পাঠাচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন