হাতে মাপজোখ আর ফাইলপত্রের জায়গায় যখন ভেসে ওঠে রক্তের দাগ, তখন তা কেবল একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত থাকে না—তা আঘাত করে পুরো পেশাজীবী সমাজ ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন ব্যবস্থার ওপর। কিশোরগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলামের ওপর ন্যক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার পর জেলাজুড়ে এখন বইছে তীব্র ক্ষোভের উত্তাল হাওয়া। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, নেপথ্যের হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে একাট্টা হয়েছে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব)।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুন্সি আমির ফয়সালের কাছে পৃথকভাবে কড়া প্রতিবাদলিপি দিয়েছেন আন্দোলনরত প্রকৌশলী নেতারা। তাদের কণ্ঠে একই আওয়াজ—‘কর্মস্থলে নিরাপত্তা চাই, সন্ত্রাসী হামলার বিচার চাই।’
প্রতিবাদলিপি প্রদান কর্মসূচিতে সরাসরি নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ জেলা আইডিইবির সভাপতি প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এবং জেলা ডিইএবের আহ্বায়ক প্রকৌশলী আব্দুল কাইয়ুম আকন্দ।
প্রতিবাদলিপিতে স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করা হয়, একজন সরকারি চাকুরিজীবী তথা পেশাজীবী প্রকৌশলীর ওপর দিনদুপুরে এমন বর্বরোচিত হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে না। এই ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে এবং কাদের ইন্ধনে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে—তা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে। অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার না করা হলে সাধারণ প্রকৌশলীদের মধ্যে তৈরি হওয়া অসন্তোষ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়বে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে আইডিইবি কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ বলেন, "প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। প্রচলিত আইনের মাধ্যমে আমরা এই জঘন্য অপরাধের সুষ্ঠু ও সন্তোষজনক বিচার পাব বলে আশাবাদী। তবে পুলিশ প্রশাসনকে প্রমাণ করতে হবে যে আইন সবার জন্য সমান। হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে এমন শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সরকারি কর্মকর্তার ওপর হাত তোলার সাহস কেউ না পায়।"
জেলা ডিইএবের আহ্বায়ক প্রকৌশলী আব্দুল কাইয়ুম আকন্দ তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "একজন প্রকৌশলীর ওপর এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে প্রকৌশলীরা মাঠে নেমে কাজ করেন। যদি মাঠপর্যায়ে তাদের নিরাপত্তাই না থাকে, তবে দেশের সার্বিক উন্নয়ন কাজ স্থবির হয়ে পড়বে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ও কার্যকর আইনি পদক্ষেপ না নিলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।"
একই দাবিতে সুর মিলিয়েছেন ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আইডিইবি কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জি এম শফিউল আলম আরজু। ঢাকার ইসলামি ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা থেকেই পাঠানো বার্তায় তিনি বলেন, "প্রকৌশলী সমাজকে সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধ থেকে এ ধরনের অপশক্তির মোকাবিলা করতে হবে। হামলা চালিয়ে বা রক্ত ঝরিয়ে প্রকৌশলীদের দমানো যাবে না। প্রশাসনকে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।"
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রকৌশলীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে এই হামলা কতটা গভীরভাবে তাদের নাড়া দিয়েছে। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন—জেলা আইডিইবির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক প্রকৌশলী শেখ আব্দুল কাদির রিজন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম রাজীব। হামলার শিকার আহত উপসহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলাম নিজে সহকর্মীদের মাঝে উপস্থিত থেকে বিচার দাবি করেন। এ ছাড়া সহমর্মিতা ও সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইয়াছিন খান, মো. সেলিম মিয়া, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, মো. রিয়াজুল ইসলাম, জোবায়ের ইবনে মোস্তফাসহ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের শতাধিক প্রকৌশলী।
মাঠপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পর্যবেক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গিয়ে প্রায়শই কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল এবং স্থানীয় প্রভাবশালী সন্ত্রাসীদের মুখোমুখি হতে হয় প্রকৌশলীদের। সরকারি টাকা ও সম্পদের সুরক্ষা দিতে গিয়ে একজন প্রকৌশলীকে যদি নিজ কর্মস্থলে বা প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হতে হয়, তবে তা সমগ্র প্রশাসনিক ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই ফুটিয়ে তোলে।
আইডিইবি ও ডিইএবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি কেবল সাধারণ স্মারকলিপি প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। যদি আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করার দৃশ্যমান অগ্রগতির অভাব দেখা যায়, তবে জেলার সমস্ত সরকারি দপ্তরের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার মতো কঠোর আন্দোলনে যেতে পিছপা হবেন না তারা।
কিশোরগঞ্জের সুশীল সমাজ ও সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা দেওয়া প্রশাসনের মৌলিক দায়িত্ব। প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলামের রক্ত যেন বিচারের আড়ালে হারিয়ে না যায়—এখন সেটাই কিশোরগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের দাবি। প্রশাসন দ্রুত এই সন্ত্রাসী চক্রের কালো হাত ভেঙে দিয়ে বিচারের মুখোমুখি করবে, নাকি ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢালবে—তা দেখার অপেক্ষায় পুরো কিশোরগঞ্জ।

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হাতে মাপজোখ আর ফাইলপত্রের জায়গায় যখন ভেসে ওঠে রক্তের দাগ, তখন তা কেবল একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত থাকে না—তা আঘাত করে পুরো পেশাজীবী সমাজ ও রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন ব্যবস্থার ওপর। কিশোরগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলামের ওপর ন্যক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার পর জেলাজুড়ে এখন বইছে তীব্র ক্ষোভের উত্তাল হাওয়া। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, নেপথ্যের হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে একাট্টা হয়েছে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) এবং ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব)।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুন্সি আমির ফয়সালের কাছে পৃথকভাবে কড়া প্রতিবাদলিপি দিয়েছেন আন্দোলনরত প্রকৌশলী নেতারা। তাদের কণ্ঠে একই আওয়াজ—‘কর্মস্থলে নিরাপত্তা চাই, সন্ত্রাসী হামলার বিচার চাই।’
প্রতিবাদলিপি প্রদান কর্মসূচিতে সরাসরি নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ জেলা আইডিইবির সভাপতি প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এবং জেলা ডিইএবের আহ্বায়ক প্রকৌশলী আব্দুল কাইয়ুম আকন্দ।
প্রতিবাদলিপিতে স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করা হয়, একজন সরকারি চাকুরিজীবী তথা পেশাজীবী প্রকৌশলীর ওপর দিনদুপুরে এমন বর্বরোচিত হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে না। এই ঘটনার পেছনে কারা রয়েছে এবং কাদের ইন্ধনে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে—তা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে। অপরাধীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার না করা হলে সাধারণ প্রকৌশলীদের মধ্যে তৈরি হওয়া অসন্তোষ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়বে বলেও হুশিয়ারি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে আইডিইবি কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ বলেন, "প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। প্রচলিত আইনের মাধ্যমে আমরা এই জঘন্য অপরাধের সুষ্ঠু ও সন্তোষজনক বিচার পাব বলে আশাবাদী। তবে পুলিশ প্রশাসনকে প্রমাণ করতে হবে যে আইন সবার জন্য সমান। হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে এমন শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সরকারি কর্মকর্তার ওপর হাত তোলার সাহস কেউ না পায়।"
জেলা ডিইএবের আহ্বায়ক প্রকৌশলী আব্দুল কাইয়ুম আকন্দ তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "একজন প্রকৌশলীর ওপর এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে প্রকৌশলীরা মাঠে নেমে কাজ করেন। যদি মাঠপর্যায়ে তাদের নিরাপত্তাই না থাকে, তবে দেশের সার্বিক উন্নয়ন কাজ স্থবির হয়ে পড়বে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ও কার্যকর আইনি পদক্ষেপ না নিলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।"
একই দাবিতে সুর মিলিয়েছেন ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আইডিইবি কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জি এম শফিউল আলম আরজু। ঢাকার ইসলামি ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা থেকেই পাঠানো বার্তায় তিনি বলেন, "প্রকৌশলী সমাজকে সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধ থেকে এ ধরনের অপশক্তির মোকাবিলা করতে হবে। হামলা চালিয়ে বা রক্ত ঝরিয়ে প্রকৌশলীদের দমানো যাবে না। প্রশাসনকে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।"
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রকৌশলীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে এই হামলা কতটা গভীরভাবে তাদের নাড়া দিয়েছে। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন—জেলা আইডিইবির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক প্রকৌশলী শেখ আব্দুল কাদির রিজন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম রাজীব। হামলার শিকার আহত উপসহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলাম নিজে সহকর্মীদের মাঝে উপস্থিত থেকে বিচার দাবি করেন। এ ছাড়া সহমর্মিতা ও সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইয়াছিন খান, মো. সেলিম মিয়া, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, মো. রিয়াজুল ইসলাম, জোবায়ের ইবনে মোস্তফাসহ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের শতাধিক প্রকৌশলী।
মাঠপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পর্যবেক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গিয়ে প্রায়শই কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল এবং স্থানীয় প্রভাবশালী সন্ত্রাসীদের মুখোমুখি হতে হয় প্রকৌশলীদের। সরকারি টাকা ও সম্পদের সুরক্ষা দিতে গিয়ে একজন প্রকৌশলীকে যদি নিজ কর্মস্থলে বা প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হতে হয়, তবে তা সমগ্র প্রশাসনিক ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই ফুটিয়ে তোলে।
আইডিইবি ও ডিইএবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি কেবল সাধারণ স্মারকলিপি প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। যদি আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করার দৃশ্যমান অগ্রগতির অভাব দেখা যায়, তবে জেলার সমস্ত সরকারি দপ্তরের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার মতো কঠোর আন্দোলনে যেতে পিছপা হবেন না তারা।
কিশোরগঞ্জের সুশীল সমাজ ও সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা দেওয়া প্রশাসনের মৌলিক দায়িত্ব। প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলামের রক্ত যেন বিচারের আড়ালে হারিয়ে না যায়—এখন সেটাই কিশোরগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের দাবি। প্রশাসন দ্রুত এই সন্ত্রাসী চক্রের কালো হাত ভেঙে দিয়ে বিচারের মুখোমুখি করবে, নাকি ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢালবে—তা দেখার অপেক্ষায় পুরো কিশোরগঞ্জ।

আপনার মতামত লিখুন