দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, জনসমাগমে বিশৃঙ্খলা বা অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারেক রহমান নিজেও চান না যে সংবর্ধনার নামে অতিরিক্ত বক্তৃতার ভিড়ে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হোক। তাই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি, যার মূল কেন্দ্রবিন্দু হবেন তারেক রহমান।
২৫ ডিসেম্বর দুপুরে স্ত্রী ও কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার আগমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ভোর থেকেই নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় এসে জড়ো হচ্ছেন, যা ইতোমধ্যেই রাজধানীর রাজনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে। অনেকে বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় জনসমাগম হতে যাচ্ছে এটি।
অন্যদিকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বিমানবন্দর এলাকা এবং পূর্বাচলজুড়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, র্যাব ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে। বিমানবন্দর এলাকায় সাধারণ প্রবেশাধিকারের ওপরও নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে, যাতে যাত্রীসেবা ব্যাহত না হয় এবং পুরো প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন থাকে।
বিএনপি মনে করছে, এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দলের জন্য একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হবে। দীর্ঘদিন একই নেতৃত্ব দেশের বাইরে থেকে পরিচালনা করায় নানা প্রশ্নের মুখে পড়েছিল দলটি। এবার তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন তাদের জন্য নতুন রাজনৈতিক গতি তৈরি করবে বলেই মনে করছে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব। আর এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে জনগণের উচ্ছ্বাস—তাদের মতে, দলের প্রতি জনসমর্থনের প্রমাণ বহন করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, জনসমাগমে বিশৃঙ্খলা বা অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারেক রহমান নিজেও চান না যে সংবর্ধনার নামে অতিরিক্ত বক্তৃতার ভিড়ে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হোক। তাই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি, যার মূল কেন্দ্রবিন্দু হবেন তারেক রহমান।
২৫ ডিসেম্বর দুপুরে স্ত্রী ও কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার আগমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ভোর থেকেই নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় এসে জড়ো হচ্ছেন, যা ইতোমধ্যেই রাজধানীর রাজনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে। অনেকে বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় জনসমাগম হতে যাচ্ছে এটি।
অন্যদিকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বিমানবন্দর এলাকা এবং পূর্বাচলজুড়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, র্যাব ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে। বিমানবন্দর এলাকায় সাধারণ প্রবেশাধিকারের ওপরও নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে, যাতে যাত্রীসেবা ব্যাহত না হয় এবং পুরো প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন থাকে।
বিএনপি মনে করছে, এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দলের জন্য একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হবে। দীর্ঘদিন একই নেতৃত্ব দেশের বাইরে থেকে পরিচালনা করায় নানা প্রশ্নের মুখে পড়েছিল দলটি। এবার তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন তাদের জন্য নতুন রাজনৈতিক গতি তৈরি করবে বলেই মনে করছে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব। আর এই প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে জনগণের উচ্ছ্বাস—তাদের মতে, দলের প্রতি জনসমর্থনের প্রমাণ বহন করছে।

আপনার মতামত লিখুন