রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও ধোলাইপাড় এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের মাদকবিরোধী কঠোর অবস্থান ও অপরাধদমনে দৃশ্যমান পদক্ষেপে বদলে যেতে শুরু করেছে সার্বিক সড়ক ব্যবস্থাপনা। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক ওয়ারী ডিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতিনিয়ত দিকনির্দেশনা ও সরেজমিন মনিটরিংয়ের ফলে একের পর এক অপরাধী ও মাদক কারবারি ধরা পড়ছে ট্রাফিক সদস্যদের হাতে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে ধোলাইপাড় মোড়ে দায়িত্ব পালনকালে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির ব্যাগ তল্লাশি করে ৪ কেজি গাঁজা জব্দ করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মাহমুদুল হাসান। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য আটককৃত ব্যক্তিকে জব্দকৃত মাদকসহ স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে সার্জেন্ট মাহমুদুল হাসান জানান, "গভীর রাতে রাস্তায় দায়িত্ব পালনকালে এক পথচারীর চলাফেরা ও হাতের ব্যাগ দেখে আমাদের সন্দেহ হয়। তাকে থামতে সংকেত দিলে সে ইতস্তত করতে থাকে। ব্যাগটি খুলে তল্লাশি চালাতেই ভেতর থেকে ৪ কেজি গাজা উদ্ধার করা হয়। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশ রয়েছে—অপরাধী যে-ই হোক, রাস্তায় কোনো ছাড় নেই। সততা ও শক্ত মনোবল নিয়ে আমরা সার্জেন্ট থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের প্রতিটি সদস্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।"
একসময় যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও জনপথের মোড় এলাকাগুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যে বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা ছিল, ওয়ারী ট্রাফিক ডিভিশনের বর্তমান উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি)-র সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় সেখানে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। নিয়মিত যানবাহন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সড়কভিত্তিক অপরাধ দমন ও মাদক উদ্ধারে ট্রাফিক পুলিশের এই সক্রিয় অবস্থান সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের মতে, ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত মামলা বা যানজট নিরসনের গণ্ডি পেরিয়ে অপরাধ দমনে এমন দৃশ্যমান ভূমিকা সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও ট্রাফিক পুলিশের প্রতি আস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও ধোলাইপাড় এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের মাদকবিরোধী কঠোর অবস্থান ও অপরাধদমনে দৃশ্যমান পদক্ষেপে বদলে যেতে শুরু করেছে সার্বিক সড়ক ব্যবস্থাপনা। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক ওয়ারী ডিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতিনিয়ত দিকনির্দেশনা ও সরেজমিন মনিটরিংয়ের ফলে একের পর এক অপরাধী ও মাদক কারবারি ধরা পড়ছে ট্রাফিক সদস্যদের হাতে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে ধোলাইপাড় মোড়ে দায়িত্ব পালনকালে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তির ব্যাগ তল্লাশি করে ৪ কেজি গাঁজা জব্দ করেছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মাহমুদুল হাসান। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থার জন্য আটককৃত ব্যক্তিকে জব্দকৃত মাদকসহ স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে সার্জেন্ট মাহমুদুল হাসান জানান, "গভীর রাতে রাস্তায় দায়িত্ব পালনকালে এক পথচারীর চলাফেরা ও হাতের ব্যাগ দেখে আমাদের সন্দেহ হয়। তাকে থামতে সংকেত দিলে সে ইতস্তত করতে থাকে। ব্যাগটি খুলে তল্লাশি চালাতেই ভেতর থেকে ৪ কেজি গাজা উদ্ধার করা হয়। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশ রয়েছে—অপরাধী যে-ই হোক, রাস্তায় কোনো ছাড় নেই। সততা ও শক্ত মনোবল নিয়ে আমরা সার্জেন্ট থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের প্রতিটি সদস্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।"
একসময় যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ ও জনপথের মোড় এলাকাগুলোতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যে বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা ছিল, ওয়ারী ট্রাফিক ডিভিশনের বর্তমান উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি)-র সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় সেখানে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। নিয়মিত যানবাহন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সড়কভিত্তিক অপরাধ দমন ও মাদক উদ্ধারে ট্রাফিক পুলিশের এই সক্রিয় অবস্থান সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের মতে, ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত মামলা বা যানজট নিরসনের গণ্ডি পেরিয়ে অপরাধ দমনে এমন দৃশ্যমান ভূমিকা সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও ট্রাফিক পুলিশের প্রতি আস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন