নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি হত্যা মামলায় সাংবাদিক নুরজ্জামান মোল্লাকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের কামতাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরিবারের দাবি, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নুরজ্জামান মোল্লাকে হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার বন্দর উপজেলা প্রতিনিধি এবং ধামগড়ের কামতাল এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নুরজ্জামান মোল্লার বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।
বন্দর থানার এসআই জহিরুল ইসলাম জানান, আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতেই নুরজ্জামান মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, নুরজ্জামান মোল্লার বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, নুরজ্জামান মোল্লার স্ত্রী রুমা বেগম দাবি করেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার স্বামীকে হত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে মামলাগুলো করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তার স্বামীকে মিথ্যা মামলা থেকে প্রত্যাহারসহ নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান তিনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি হত্যা মামলায় সাংবাদিক নুরজ্জামান মোল্লাকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের কামতাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরিবারের দাবি, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নুরজ্জামান মোল্লাকে হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার বন্দর উপজেলা প্রতিনিধি এবং ধামগড়ের কামতাল এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নুরজ্জামান মোল্লার বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।
বন্দর থানার এসআই জহিরুল ইসলাম জানান, আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতেই নুরজ্জামান মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, নুরজ্জামান মোল্লার বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, নুরজ্জামান মোল্লার স্ত্রী রুমা বেগম দাবি করেন, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার স্বামীকে হত্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে মামলাগুলো করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। তার স্বামীকে মিথ্যা মামলা থেকে প্রত্যাহারসহ নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন