সিলেটের বিশ্বনাথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের ৯২ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে নাশকতার মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় মামলাটি থানায় রুজু করা হয়। মামলা নং ১৭। এ মামলার বাদি হলেন উপজেলার অলংকারি ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও অলংকারি ইউনিয়নের সাবান টেংরা গ্রামের মৃত আবদুল আলীর ছেলে ইরন মিয়া (৫৫)।
এদিকে, মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এ মামলার এজাহার নামীয় আসামি আবদুল কাইয়ুম (৪৫) কে শুক্রবার রাতে তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। তিনি বিশ্বনাথ পৌর এলাকার অলংকারি গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে ও পৌর আ.লীগের যুগ্ম-সাধারাণ সম্পাদক। গতকাল শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।
মামলার আসামিরা হলেন-নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন আহমদ (৪৮), কবির আহমদ কুব্বার (৫০), শাহ আসাদুজ্জামান (৫০), ফারুক আহমদ (৪৮), মুহিবুর রহমান সুইট (৪০), রফিক হাসান (৪০), ফজর রহমান (৪২)শংকর দাশ শংকু (৪৮), শামীম ওরফে চাক্কু শামীম (৩৫), ফজর আলী (৪৫), সিরাজ মিয়া (৫০), রুহেল খান (৪৮), ওয়াহাব আলী (৫০), আলতাব হোসেন (৫০), জুনাব আলী (৪০), মকদ্দুছ আলী (৫০), পার্থ সার্থী দাশ পাপ্পু (৩২), আজিজুর রহমান (৫৫), এনামুল হক এনাম (৪৫), বারাম উদ্দিন (৪৪), হিরা মিয়া (৬০), আবদুল হান্নান তোতা (৪৫), হাবিব মিয়া (৪৫), আবদুল জলিল জালাল (৫৫), দুদু (৫০), মানিক মিয়া (৪৫), রফিক মিয়া (৪৮), শংকর চন্দ্র ধর (৪৮), আবদুর নূর (৪৯), শাখাওয়াত হোসেন (৫০), সৈয়দ হোসেন (৪২), আব্দুস ছত্তার (৪৭), সেলিম মিয়া (৫৫), ইবাদুল ইসলাম (৪৫), আবদুল কাইয়ুম (৪০), শাহজাহান সিরাজ (৩৮), বাবুল মিয়া (৪৫), আব্দুল মনাফ (৬১), আবুল কালাম (৪৮), আবদুস ছোবান (৪৭), কাওছার আহমদ (৩৪), মতিন আহমদ (৩৫), মঈন উদ্দিন (৪০), সালমান খান (৩০), লায়েক আহমদ (৪০), জাহেদ আহমদ (২২), আমিনুল ইসলাম (২৩) সাহেদ মিয়া (২২), সানুর আলী (৫০), সিরাজুল হক (৫৫), আব্দুল মান্নান (৪৫), আব্দুস শহিদ (৪৭), তোরণ মিয়া (৪৫), শামিম মিয়া (৪২) খোকন মিয়া (৪৫), রাজন মিয়া (৩৮), নজরুল ইসলাম (৪২), মামুন মিয়া (২৪), শামছুল হক (৫৪), ইয়াছিন আলী (৪৫), আনোয়ার হোসেন আনোয়ার (৪৫), জসিম উদ্দিন (২৫), আকবর আলী (৫০) কমরু মিয়া (৫০), শাহেদ (৩৬), আমিনুল ইসলাম (৪২), জাহেদ মিয়া (৪৩), এখলাছ মিয়া (৩৬), বাবুল মিয়া (৪৬), রাজন মিয়া (৩৮), সারোয়ার মিয়া (৪২), জুবেল মিয়া (৪০), নাহি মিয়া (২৫), জাহাঙ্গীর মিয়া (৩০) নাছির আলী (৩৬), রাসেল মিয়া (৪৫), ফয়ছল আহমদ (৩৬), শেখ সালমান আহমদ (২৪), আব্দুল আহাদ রোকন (৫০), বাচ্চু মিয়া (৩৬), নজমুল আলম (৪০), বদরুল আলম (৪০), জয়নাল মিয়া (৩৫), আকরাম মিয়া (৪৫), নুরুজ্জামান (৩১), রেনু মিয়া (৩২),জামাল মিয়া (৪৫), রনি মিয়া (৪২), আফাজ মিয়া (৪১), শাহিন মিয়া (৫৫), ফারুক মিয়া (৫২), কাজী সাঈদ (২৫),
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট রাতে উপজেলার রামপাশা এলাকায় অভিযুক্তরা রাস্তার ওপরে গাড়ির টায়ার জ্ব¦লিয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে। সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ম্লোগান দেয়। এলাকায় আতংকের সৃষ্টি করে।
মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বিশ^নাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কতর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বললেন, এ মামলার এজাহার নামীয় আসামি আবদুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
সিলেটের বিশ্বনাথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনের ৯২ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে নাশকতার মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় মামলাটি থানায় রুজু করা হয়। মামলা নং ১৭। এ মামলার বাদি হলেন উপজেলার অলংকারি ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও অলংকারি ইউনিয়নের সাবান টেংরা গ্রামের মৃত আবদুল আলীর ছেলে ইরন মিয়া (৫৫)।
এদিকে, মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এ মামলার এজাহার নামীয় আসামি আবদুল কাইয়ুম (৪৫) কে শুক্রবার রাতে তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। তিনি বিশ্বনাথ পৌর এলাকার অলংকারি গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে ও পৌর আ.লীগের যুগ্ম-সাধারাণ সম্পাদক। গতকাল শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।
মামলার আসামিরা হলেন-নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন আহমদ (৪৮), কবির আহমদ কুব্বার (৫০), শাহ আসাদুজ্জামান (৫০), ফারুক আহমদ (৪৮), মুহিবুর রহমান সুইট (৪০), রফিক হাসান (৪০), ফজর রহমান (৪২)শংকর দাশ শংকু (৪৮), শামীম ওরফে চাক্কু শামীম (৩৫), ফজর আলী (৪৫), সিরাজ মিয়া (৫০), রুহেল খান (৪৮), ওয়াহাব আলী (৫০), আলতাব হোসেন (৫০), জুনাব আলী (৪০), মকদ্দুছ আলী (৫০), পার্থ সার্থী দাশ পাপ্পু (৩২), আজিজুর রহমান (৫৫), এনামুল হক এনাম (৪৫), বারাম উদ্দিন (৪৪), হিরা মিয়া (৬০), আবদুল হান্নান তোতা (৪৫), হাবিব মিয়া (৪৫), আবদুল জলিল জালাল (৫৫), দুদু (৫০), মানিক মিয়া (৪৫), রফিক মিয়া (৪৮), শংকর চন্দ্র ধর (৪৮), আবদুর নূর (৪৯), শাখাওয়াত হোসেন (৫০), সৈয়দ হোসেন (৪২), আব্দুস ছত্তার (৪৭), সেলিম মিয়া (৫৫), ইবাদুল ইসলাম (৪৫), আবদুল কাইয়ুম (৪০), শাহজাহান সিরাজ (৩৮), বাবুল মিয়া (৪৫), আব্দুল মনাফ (৬১), আবুল কালাম (৪৮), আবদুস ছোবান (৪৭), কাওছার আহমদ (৩৪), মতিন আহমদ (৩৫), মঈন উদ্দিন (৪০), সালমান খান (৩০), লায়েক আহমদ (৪০), জাহেদ আহমদ (২২), আমিনুল ইসলাম (২৩) সাহেদ মিয়া (২২), সানুর আলী (৫০), সিরাজুল হক (৫৫), আব্দুল মান্নান (৪৫), আব্দুস শহিদ (৪৭), তোরণ মিয়া (৪৫), শামিম মিয়া (৪২) খোকন মিয়া (৪৫), রাজন মিয়া (৩৮), নজরুল ইসলাম (৪২), মামুন মিয়া (২৪), শামছুল হক (৫৪), ইয়াছিন আলী (৪৫), আনোয়ার হোসেন আনোয়ার (৪৫), জসিম উদ্দিন (২৫), আকবর আলী (৫০) কমরু মিয়া (৫০), শাহেদ (৩৬), আমিনুল ইসলাম (৪২), জাহেদ মিয়া (৪৩), এখলাছ মিয়া (৩৬), বাবুল মিয়া (৪৬), রাজন মিয়া (৩৮), সারোয়ার মিয়া (৪২), জুবেল মিয়া (৪০), নাহি মিয়া (২৫), জাহাঙ্গীর মিয়া (৩০) নাছির আলী (৩৬), রাসেল মিয়া (৪৫), ফয়ছল আহমদ (৩৬), শেখ সালমান আহমদ (২৪), আব্দুল আহাদ রোকন (৫০), বাচ্চু মিয়া (৩৬), নজমুল আলম (৪০), বদরুল আলম (৪০), জয়নাল মিয়া (৩৫), আকরাম মিয়া (৪৫), নুরুজ্জামান (৩১), রেনু মিয়া (৩২),জামাল মিয়া (৪৫), রনি মিয়া (৪২), আফাজ মিয়া (৪১), শাহিন মিয়া (৫৫), ফারুক মিয়া (৫২), কাজী সাঈদ (২৫),
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট রাতে উপজেলার রামপাশা এলাকায় অভিযুক্তরা রাস্তার ওপরে গাড়ির টায়ার জ্ব¦লিয়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও মিছিলের মাধ্যমে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করে। সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ম্লোগান দেয়। এলাকায় আতংকের সৃষ্টি করে।
মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বিশ^নাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কতর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বললেন, এ মামলার এজাহার নামীয় আসামি আবদুল কাইয়ুমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন