ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধা শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীরা বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছে, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোস্তফা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৮তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল দাউদ দেশেও থাকতে পারে আবার বিদেশেও থাকতে পারে। যদি সে দেশের বাইরে গিয়ে থাকে, তবে তা অবশ্যই অবৈধ পথে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, “হাদীর হত্যাকারী কোথায় আছে জানলে আমরা তাকে ধরে ফেলতাম। তবে আমরা এক্সাক্ট লোকেশন জানতে পারলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।” তিনি আরও জানান, হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এই মামলা সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মূল পরিকল্পনাকারী ফয়সালের স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, তার মা-বাবা, দুই শ্যালক এবং ঘটনার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির মালিক আব্দুল হান্নান।
নিরাপত্তা ইস্যুতে উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে ঝুঁকিতে থাকা ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে গানম্যান প্রদান করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর (ডিজিএফআই, এনএসআই ও এসবি) রিপোর্টের ভিত্তিতে তৈরি করা ‘হিটলিস্ট’ অনুযায়ী এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গানম্যান পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতা এবং প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদকও রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে অনেকেই এই গানম্যান নিতে অনীহা প্রকাশ করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, তাঁর আগমন উপলক্ষে ঢাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনী থেকে শুরু করে প্রায় ২,০০০ পুলিশ সদস্য তাঁর সুরক্ষায় নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া নিজের পদত্যাগ সংক্রান্ত গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “পদত্যাগ করলে তো আর এখানে (সচিবালয়ে) বসে মিটিং করতাম না।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধা শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীরা বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছে, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোস্তফা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৮তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল দাউদ দেশেও থাকতে পারে আবার বিদেশেও থাকতে পারে। যদি সে দেশের বাইরে গিয়ে থাকে, তবে তা অবশ্যই অবৈধ পথে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, “হাদীর হত্যাকারী কোথায় আছে জানলে আমরা তাকে ধরে ফেলতাম। তবে আমরা এক্সাক্ট লোকেশন জানতে পারলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।” তিনি আরও জানান, হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এই মামলা সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মূল পরিকল্পনাকারী ফয়সালের স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, তার মা-বাবা, দুই শ্যালক এবং ঘটনার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির মালিক আব্দুল হান্নান।
নিরাপত্তা ইস্যুতে উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে ঝুঁকিতে থাকা ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে গানম্যান প্রদান করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর (ডিজিএফআই, এনএসআই ও এসবি) রিপোর্টের ভিত্তিতে তৈরি করা ‘হিটলিস্ট’ অনুযায়ী এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গানম্যান পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতা এবং প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদকও রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে অনেকেই এই গানম্যান নিতে অনীহা প্রকাশ করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, তাঁর আগমন উপলক্ষে ঢাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে বিশেষ নিরাপত্তা বেষ্টনী থেকে শুরু করে প্রায় ২,০০০ পুলিশ সদস্য তাঁর সুরক্ষায় নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া নিজের পদত্যাগ সংক্রান্ত গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “পদত্যাগ করলে তো আর এখানে (সচিবালয়ে) বসে মিটিং করতাম না।”

আপনার মতামত লিখুন