পলিমাটি ও হাওরের বিস্তৃত জলরাশির জেলা কিশোরগঞ্জে আগামীকাল বসছে এক মহোৎসবের মেলা। বহু প্রতিক্ষীত রাষ্ট্রীয় সফরে আগামীকাল (১৬ অগাস্ট ) ঐতিহাসিক এই জনপদে পদার্পণ করছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম প্রিয় নেতার আগমনকে কেন্দ্র করে সমগ্র জেলাজুড়ে বইছে বাঁধভাঙ্গা আনন্দের জোয়ার। নরসুন্দার তীর থেকে শুরু করে হাওরের অবারিত সবুজ—প্রতিটি জনপদ আজ নতুন এক ভোরের আশায় রাজকীয় সাজে সজ্জিত।
প্রধানমন্ত্রীর পদার্পণকে অবিস্মরণীয় করে রাখতে কিশোরগঞ্জ শহর ও আশেপাশের মহাসড়কগুলোকে সাজানো হয়েছে এক বর্ণিল ক্যানভাসে। শত শত ব্যানার, ঝলমলে ফেস্টুন এবং বিভিন্ন স্থানে নির্মিত সুবিশাল তোড়নে ঢেকে গেছে পুরো জেলা। শহরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলিতে এখন কেবল সাজ-সাজ রব। তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলার ১৩টি থানার দলীয় কার্যালয়গুলো এখন নেতা-কর্মীদের পদচারণায় মুখরিত। জাতীয়তাবাদী দূরদর্শী নেতৃত্বের সান্নিধ্য পেতে রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন সকল পর্যায়ের কর্মীবৃন্দ। প্রিয় নেতাকে বরণ করে নেওয়ার এই মহা আয়োজনে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে এক নজিরবিহীন স্পন্দন।
প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে শতভাগ ত্রুটিমুক্ত ও নির্বিঘ্ন রাখতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো এলাকাকে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কয়েকটি স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয়ে। তদারকি ও সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, সর্বস্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট একযোগে সমন্বিতভাবে কাজ করে চলেছে। পাশাপাশি জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ খান সোহেল সহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক তদারকিতে নিয়োজিত রয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের ৬টি সংসদীয় আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যগণ ও স্থানীয় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত সমন্বয় সভা ও তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন। হাওরাঞ্চলের কৃষি, মৎস্য, পর্যটন এবং সার্বিক অর্থনৈতিক অবকাঠামোগত কাঠামোর বৈপ্লবিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে নতুন দিকনির্দেশনা ও উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণার অপেক্ষায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কিশোরগঞ্জবাসী।
হাওরের হাওয়া আর নরসুন্দার কলতানে আজ একাত্ম হয়ে উঠেছে জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। কিশোরগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ আজ তাঁদের প্রিয় নেতাকে উষ্ণ ও ঐতিহাসিক সংবর্ধনা জানাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
পলিমাটি ও হাওরের বিস্তৃত জলরাশির জেলা কিশোরগঞ্জে আগামীকাল বসছে এক মহোৎসবের মেলা। বহু প্রতিক্ষীত রাষ্ট্রীয় সফরে আগামীকাল (১৬ অগাস্ট ) ঐতিহাসিক এই জনপদে পদার্পণ করছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম প্রিয় নেতার আগমনকে কেন্দ্র করে সমগ্র জেলাজুড়ে বইছে বাঁধভাঙ্গা আনন্দের জোয়ার। নরসুন্দার তীর থেকে শুরু করে হাওরের অবারিত সবুজ—প্রতিটি জনপদ আজ নতুন এক ভোরের আশায় রাজকীয় সাজে সজ্জিত।
প্রধানমন্ত্রীর পদার্পণকে অবিস্মরণীয় করে রাখতে কিশোরগঞ্জ শহর ও আশেপাশের মহাসড়কগুলোকে সাজানো হয়েছে এক বর্ণিল ক্যানভাসে। শত শত ব্যানার, ঝলমলে ফেস্টুন এবং বিভিন্ন স্থানে নির্মিত সুবিশাল তোড়নে ঢেকে গেছে পুরো জেলা। শহরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলিতে এখন কেবল সাজ-সাজ রব। তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলার ১৩টি থানার দলীয় কার্যালয়গুলো এখন নেতা-কর্মীদের পদচারণায় মুখরিত। জাতীয়তাবাদী দূরদর্শী নেতৃত্বের সান্নিধ্য পেতে রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন সকল পর্যায়ের কর্মীবৃন্দ। প্রিয় নেতাকে বরণ করে নেওয়ার এই মহা আয়োজনে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে এক নজিরবিহীন স্পন্দন।
প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে শতভাগ ত্রুটিমুক্ত ও নির্বিঘ্ন রাখতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো এলাকাকে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কয়েকটি স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাবলয়ে। তদারকি ও সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, সর্বস্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট একযোগে সমন্বিতভাবে কাজ করে চলেছে। পাশাপাশি জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ খান সোহেল সহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক তদারকিতে নিয়োজিত রয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের ৬টি সংসদীয় আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যগণ ও স্থানীয় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত সমন্বয় সভা ও তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন। হাওরাঞ্চলের কৃষি, মৎস্য, পর্যটন এবং সার্বিক অর্থনৈতিক অবকাঠামোগত কাঠামোর বৈপ্লবিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে নতুন দিকনির্দেশনা ও উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণার অপেক্ষায় অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন কিশোরগঞ্জবাসী।
হাওরের হাওয়া আর নরসুন্দার কলতানে আজ একাত্ম হয়ে উঠেছে জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। কিশোরগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ আজ তাঁদের প্রিয় নেতাকে উষ্ণ ও ঐতিহাসিক সংবর্ধনা জানাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

আপনার মতামত লিখুন