চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মুক্তিপণের দাবিতে কিশোর রাফিজ মিয়াকে (১৫) অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এবং এ বিষয়ে দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি শরিফুল ইসলাম (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানা এলাকা থেকে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শরিফুল চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খেজুরতলা বাজারপাড়ার মৃত মুরজুল হকের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গা
উপজেলার চিলাভালকী গ্রামের রাফিজকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে অপহরণ করে আসামিরা। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ না পেয়ে আসামিরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খালে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনার ৮ দিন পর, গত ১৩ জুন খালের পাশের একটি পুকুর থেকে রাফিজের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়েরের পর চুয়াডাঙ্গা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল (সিসিআইসি) ও আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে শরিফুলকে গ্রেপ্তার করে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাঈল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মুক্তিপণের দাবিতে কিশোর রাফিজ মিয়াকে (১৫) অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এবং এ বিষয়ে দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি শরিফুল ইসলাম (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানা এলাকা থেকে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার শরিফুল চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খেজুরতলা বাজারপাড়ার মৃত মুরজুল হকের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গা
উপজেলার চিলাভালকী গ্রামের রাফিজকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে অপহরণ করে আসামিরা। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ না পেয়ে আসামিরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার কুতুবপুর এলাকার অর্জুন খালে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনার ৮ দিন পর, গত ১৩ জুন খালের পাশের একটি পুকুর থেকে রাফিজের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনায় আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়েরের পর চুয়াডাঙ্গা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল (সিসিআইসি) ও আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে শরিফুলকে গ্রেপ্তার করে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাঈল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন