জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির অকাল মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা। শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকেই হাজার হাজার ছাত্র-জনতা শাহবাগে অবস্থান নিয়ে খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। এই গণজমায়েত থেকে বিকেলে ডাকসু ভিপি এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, এখন থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই শাহবাগ মোড় ‘শহীদ ওসমান হাদি চত্বর’ হিসেবে পরিচিত হবে। তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ওসমান হাদির খুনিদের বিচার নিশ্চিত না হচ্ছে, ততক্ষণ ছাত্র-জনতা রাজপথ ছেড়ে ঘরে ফিরে যাবে না। একইসাথে তিনি ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
বিপ্লবী এই নেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ মিছিল নিয়ে শাহবাগে সমবেত হতে থাকেন। বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে জাতীয় পতাকা এবং মুখে ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান। ‘ফ্যাসিবাদের কালো হাত ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো যুগে যুগে লড়ে যাবো’—এমন অসংখ্য স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই বিক্ষোভ সমাবেশকে এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত করেছে। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো অবস্থাতেই এই ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য যে, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রাণপুরুষ শরিফ ওসমান হাদি গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে গণসংযোগ করার সময় চলন্ত রিকশায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। প্রথমে দেশে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সারা দেশের ছাত্র-জনতার মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে আজকের এই বিশাল প্রতিবাদ কর্মসূচিতে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির অকাল মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানীর শাহবাগ এলাকা। শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকেই হাজার হাজার ছাত্র-জনতা শাহবাগে অবস্থান নিয়ে খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। এই গণজমায়েত থেকে বিকেলে ডাকসু ভিপি এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, এখন থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই শাহবাগ মোড় ‘শহীদ ওসমান হাদি চত্বর’ হিসেবে পরিচিত হবে। তিনি আরও বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ওসমান হাদির খুনিদের বিচার নিশ্চিত না হচ্ছে, ততক্ষণ ছাত্র-জনতা রাজপথ ছেড়ে ঘরে ফিরে যাবে না। একইসাথে তিনি ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
বিপ্লবী এই নেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ মিছিল নিয়ে শাহবাগে সমবেত হতে থাকেন। বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে জাতীয় পতাকা এবং মুখে ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান। ‘ফ্যাসিবাদের কালো হাত ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো যুগে যুগে লড়ে যাবো’—এমন অসংখ্য স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই বিক্ষোভ সমাবেশকে এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত করেছে। তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনো অবস্থাতেই এই ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য যে, জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রাণপুরুষ শরিফ ওসমান হাদি গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে গণসংযোগ করার সময় চলন্ত রিকশায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। প্রথমে দেশে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সারা দেশের ছাত্র-জনতার মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে আজকের এই বিশাল প্রতিবাদ কর্মসূচিতে।

আপনার মতামত লিখুন