রাজধানীর তুরাগ থানাধীন রানাভোলা বটতলা মেইন রোড এলাকায় একটি চালের আড়ত ও ওয়্যারহাউসে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় আড়তদার মুহাম্মদ নাজমুল হক (৪৫) এবং ম্যানেজার উজ্জ্বল খানসহ বেশ কয়েকজন কর্মচারী গুরুতর মারধরের শিকার হয়েছেন। হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় নাজমুল হককে ‘খুন করার’ হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আড়তদার নাজমুল হক স্থানীয় তুরাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা চালের ট্রাক ও পিকআপ তার ওয়্যারহাউসে লোড-আনলোড করা হয়। এই লোড-আনলোড প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে দোকানের উল্টো দিকে থাকা কতিপয় ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে এই হামলা চালায়।
অভিযুক্ত হিসেবে আইয়ুব আলী (৫০), মো. আব্দুস সালাম (৩৫), মুহাম্মদ লোকমান (৩২) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। জিডি সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ওয়্যারহাউসে প্রবেশ করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং নাজমুল হককে মারধর করে। তাকে বাঁচাতে স্টাফরা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়।
নূর এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার উজ্জ্বল খান অভিযোগ করেন, "৫ আগস্টের পর থেকেই কতিপয় নেতা আমাদের কাছে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত ১৪ ডিসেম্বর মালামাল ডেলিভারির জন্য সামনে একটি পিকআপ রাখলে আইয়ুব আলী তুচ্ছ ঘটনায় গালিগালাজ শুরু করেন। মালিক ও স্টাফরা প্রতিবাদ করলে তিনি এবং তার ভাতিজা ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম ও মো. লোকমানসহ ৫/৭ জন সন্ত্রাসী নিয়ে পুনরায় ওয়্যারহাউসে হামলা ও মারধর করেন। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।"
অভিযোগের বিষয়ে তুরাগ থানার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুস সালাম বলেন, "ওয়্যারহাউসের সামনে গাড়ি রাখা নিয়ে আমার চাচার সঙ্গে তাদের তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে তারা আমার চাচার গায়ে হাত তুললে আমি সেখানে গিয়ে তাকে (নাজমুল হক) দুই-চারটা চড় দিয়েছি। পুলিশ এসেছিল, আমরা বিষয়টি বসে সমাধানের কথা বলেছি।"
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব হাজী মোস্তফা জামান বলেন, "বিএনপির নামে কেউ যদি সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজি করতে চায়, দলে তাদের কোনো জায়গা হবে না। প্রমাণ পেলে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তুরাগ থানার এসআই মানিক খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
রাজধানীর তুরাগ থানাধীন রানাভোলা বটতলা মেইন রোড এলাকায় একটি চালের আড়ত ও ওয়্যারহাউসে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় আড়তদার মুহাম্মদ নাজমুল হক (৪৫) এবং ম্যানেজার উজ্জ্বল খানসহ বেশ কয়েকজন কর্মচারী গুরুতর মারধরের শিকার হয়েছেন। হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় নাজমুল হককে ‘খুন করার’ হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আড়তদার নাজমুল হক স্থানীয় তুরাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা চালের ট্রাক ও পিকআপ তার ওয়্যারহাউসে লোড-আনলোড করা হয়। এই লোড-আনলোড প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে দোকানের উল্টো দিকে থাকা কতিপয় ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে এই হামলা চালায়।
অভিযুক্ত হিসেবে আইয়ুব আলী (৫০), মো. আব্দুস সালাম (৩৫), মুহাম্মদ লোকমান (৩২) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। জিডি সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ওয়্যারহাউসে প্রবেশ করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং নাজমুল হককে মারধর করে। তাকে বাঁচাতে স্টাফরা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়।
নূর এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার উজ্জ্বল খান অভিযোগ করেন, "৫ আগস্টের পর থেকেই কতিপয় নেতা আমাদের কাছে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত ১৪ ডিসেম্বর মালামাল ডেলিভারির জন্য সামনে একটি পিকআপ রাখলে আইয়ুব আলী তুচ্ছ ঘটনায় গালিগালাজ শুরু করেন। মালিক ও স্টাফরা প্রতিবাদ করলে তিনি এবং তার ভাতিজা ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম ও মো. লোকমানসহ ৫/৭ জন সন্ত্রাসী নিয়ে পুনরায় ওয়্যারহাউসে হামলা ও মারধর করেন। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।"
অভিযোগের বিষয়ে তুরাগ থানার ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুস সালাম বলেন, "ওয়্যারহাউসের সামনে গাড়ি রাখা নিয়ে আমার চাচার সঙ্গে তাদের তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে তারা আমার চাচার গায়ে হাত তুললে আমি সেখানে গিয়ে তাকে (নাজমুল হক) দুই-চারটা চড় দিয়েছি। পুলিশ এসেছিল, আমরা বিষয়টি বসে সমাধানের কথা বলেছি।"
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব হাজী মোস্তফা জামান বলেন, "বিএনপির নামে কেউ যদি সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজি করতে চায়, দলে তাদের কোনো জায়গা হবে না। প্রমাণ পেলে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তুরাগ থানার এসআই মানিক খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন