গাজীপুরের কাশিমপুর ভূমি অফিসে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ওয়াজেদ আলী খান, অফিস সহকারী মোস্তফা কামাল, শফিকুল ইসলাম খান এবং আব্দুল হালিম। জানা যায়, পূর্বনির্ধারিত কোনো কর্মসূচি ছাড়াই সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক কাশিমপুর ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে তিনি সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে অফিসের সেবার মান ও কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগের সত্যতা প্রাথমিকভাবে উঠে আসে। অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর জেলা প্রশাসক চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনসেবার মান নিশ্চিত করতে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন ও তদারকি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সরকারি সেবায় কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুরের কাশিমপুর ভূমি অফিসে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ওয়াজেদ আলী খান, অফিস সহকারী মোস্তফা কামাল, শফিকুল ইসলাম খান এবং আব্দুল হালিম। জানা যায়, পূর্বনির্ধারিত কোনো কর্মসূচি ছাড়াই সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক কাশিমপুর ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে তিনি সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলে অফিসের সেবার মান ও কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগের সত্যতা প্রাথমিকভাবে উঠে আসে। অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর জেলা প্রশাসক চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনসেবার মান নিশ্চিত করতে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন ও তদারকি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সরকারি সেবায় কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন