নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ব বিরোধের জেরে বাড়িতে ঢুকে মোমেন মিয়া (৫৫) নামে এক কৃষককে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) সকালে উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোমেন মিয়া ওই গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে।
আহতরা হলেন, মৃত খালেক মিয়ার ছেলে মোবারক (৬৫), শহীদ মিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেন (৩০) এবং কুদ্দুস মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন (৩৭)। তারা রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের দাবি, ফরিদ গ্রুপ ও মোমেন চেয়ারম্যান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। একপর্যায়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের উদ্যোগে বিরোধ মীমাংসা হলেও সম্প্রতি আবারও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে একদল হামলাকারী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোমেন মিয়ার বাড়িতে প্রবেশ করে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় মোমেন মিয়াকে মাথা ও পায়ে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. বিনিতা জানান, হাসপাতালে আনার সময় মোমেন মিয়ার শরীরে পালস ও রক্তচাপ পাওয়া যায়নি। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মোমেন মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
নরসিংদীর রায়পুরায় পূর্ব বিরোধের জেরে বাড়িতে ঢুকে মোমেন মিয়া (৫৫) নামে এক কৃষককে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) সকালে উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোমেন মিয়া ওই গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে।
আহতরা হলেন, মৃত খালেক মিয়ার ছেলে মোবারক (৬৫), শহীদ মিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেন (৩০) এবং কুদ্দুস মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন (৩৭)। তারা রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের দাবি, ফরিদ গ্রুপ ও মোমেন চেয়ারম্যান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। একপর্যায়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের উদ্যোগে বিরোধ মীমাংসা হলেও সম্প্রতি আবারও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে একদল হামলাকারী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোমেন মিয়ার বাড়িতে প্রবেশ করে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় মোমেন মিয়াকে মাথা ও পায়ে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. বিনিতা জানান, হাসপাতালে আনার সময় মোমেন মিয়ার শরীরে পালস ও রক্তচাপ পাওয়া যায়নি। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মোমেন মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন