দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৩নং গোপালগঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গরিবপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মোছা. আর্জিনা খাতুন গত এক দশক ধরে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
জানা যায়, ২০০৮ সালে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করা আর্জিনা খাতুন ২০১৬ সাল থেকে নিজ উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নিয়মিত গাছের চারা বিতরণ করে আসছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন শিক্ষার্থী যদি ছোটবেলা থেকেই একটি গাছের দায়িত্ব নেয়, তবে তার মধ্যে প্রকৃতি, পরিবেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠে।
আর্জিনা খাতুন জানান, প্রথমে নিজের বাড়িতে লাগানো গাছের চারা থেকেই এই উদ্যোগের সূচনা। পরে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও আগ্রহ দেখে প্রতিবছর আরও বেশি সংখ্যক চারা বিতরণ করতে শুরু করেন। তাঁর ইচ্ছা, প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে অন্তত একটি করে গাছ তুলে দিয়ে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, গাছের চারা পাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে তা রোপণ ও পরিচর্যা করছে। ফলে একদিকে যেমন পরিবেশ সবুজ হচ্ছে, অন্যদিকে শিশুদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সহকর্মী শিক্ষকরা বলেন, আর্জিনা খাতুন শুধু একজন দক্ষ শিক্ষকই নন, তিনি একজন মানবিক ও পরিবেশপ্রেমী মানুষ। তাঁর এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ অন্য শিক্ষকদের জন্যও অনুকরণীয় হতে পারে।
উল্লেখ্য, মোছা. আর্জিনা খাতুন ২০২৪ সালে নবাবগঞ্জ উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় তাঁর নিরলস অবদান স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অলিউর রহমান মিরাজ
প্রতিনিধি :

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৩নং গোপালগঞ্জ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গরিবপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মোছা. আর্জিনা খাতুন গত এক দশক ধরে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
জানা যায়, ২০০৮ সালে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করা আর্জিনা খাতুন ২০১৬ সাল থেকে নিজ উদ্যোগে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে নিয়মিত গাছের চারা বিতরণ করে আসছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন শিক্ষার্থী যদি ছোটবেলা থেকেই একটি গাছের দায়িত্ব নেয়, তবে তার মধ্যে প্রকৃতি, পরিবেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ গড়ে ওঠে।
আর্জিনা খাতুন জানান, প্রথমে নিজের বাড়িতে লাগানো গাছের চারা থেকেই এই উদ্যোগের সূচনা। পরে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও আগ্রহ দেখে প্রতিবছর আরও বেশি সংখ্যক চারা বিতরণ করতে শুরু করেন। তাঁর ইচ্ছা, প্রতিটি শিক্ষার্থীর হাতে অন্তত একটি করে গাছ তুলে দিয়ে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, গাছের চারা পাওয়ার পর শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে তা রোপণ ও পরিচর্যা করছে। ফলে একদিকে যেমন পরিবেশ সবুজ হচ্ছে, অন্যদিকে শিশুদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সহকর্মী শিক্ষকরা বলেন, আর্জিনা খাতুন শুধু একজন দক্ষ শিক্ষকই নন, তিনি একজন মানবিক ও পরিবেশপ্রেমী মানুষ। তাঁর এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ অন্য শিক্ষকদের জন্যও অনুকরণীয় হতে পারে।
উল্লেখ্য, মোছা. আর্জিনা খাতুন ২০২৪ সালে নবাবগঞ্জ উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় তাঁর নিরলস অবদান স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অলিউর রহমান মিরাজ
প্রতিনিধি :

আপনার মতামত লিখুন