ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

তানজিলা হত্যাকাণ্ডের মূল ঘাতক প্রেমিক গ্রেফতার


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬

তানজিলা হত্যাকাণ্ডের মূল ঘাতক প্রেমিক গ্রেফতার
ছবি: সংগৃহীত

ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ও ঘাতক মো. রানা হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু, নিহতের স্মার্টফোন এবং লুণ্ঠিত অলংকারও উদ্ধার করেছে তদন্তকারী সংস্থা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই ঢাকা জেলার ইউনিট ইনচার্জ ও পুলিশ সুপার এমএন মোর্শেদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত রানা হাওলাদারকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।


পিবিআই জানায়, গত সোমবার দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাঘৈর এলাকায় খালার বাসায় খাবার খেয়ে নিজ বাড়ির উদ্দেশে বের হন তানজিলা। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মদিনানগর এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা হলে তদন্তভার পায় পিবিআই।

তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতার রানা হাওলাদার কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রায় সাত মাস ধরে তানজিলার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে তানজিলা তার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করলে তা দিতে না পারায় দুজনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।

পিবিআইর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন বিকেলে রানা নিজের অটোরিকশায় তানজিলাকে কালিন্দী ইউনিয়নের মদিনানগর এলাকার একটি নির্জন হাউজিং প্লটে নিয়ে যান। সেখানে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে প্রথমে গলা চেপে ধরেন এবং পরে ফল কাটার চাকু দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। হত্যার পর নিহতের দুটি স্মার্টফোন, রূপার চেইন ও ব্রেসলেট নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার অন্যান্য দিকও গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


তানজিলা হত্যাকাণ্ডের মূল ঘাতক প্রেমিক গ্রেফতার

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image

ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী ও ঘাতক মো. রানা হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু, নিহতের স্মার্টফোন এবং লুণ্ঠিত অলংকারও উদ্ধার করেছে তদন্তকারী সংস্থা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই ঢাকা জেলার ইউনিট ইনচার্জ ও পুলিশ সুপার এমএন মোর্শেদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত রানা হাওলাদারকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।


পিবিআই জানায়, গত সোমবার দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাঘৈর এলাকায় খালার বাসায় খাবার খেয়ে নিজ বাড়ির উদ্দেশে বের হন তানজিলা। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মদিনানগর এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা হলে তদন্তভার পায় পিবিআই।

তদন্তে জানা যায়, গ্রেফতার রানা হাওলাদার কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রায় সাত মাস ধরে তানজিলার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে তানজিলা তার কাছে ৩০ হাজার টাকা দাবি করলে তা দিতে না পারায় দুজনের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।

পিবিআইর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন বিকেলে রানা নিজের অটোরিকশায় তানজিলাকে কালিন্দী ইউনিয়নের মদিনানগর এলাকার একটি নির্জন হাউজিং প্লটে নিয়ে যান। সেখানে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে প্রথমে গলা চেপে ধরেন এবং পরে ফল কাটার চাকু দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। হত্যার পর নিহতের দুটি স্মার্টফোন, রূপার চেইন ও ব্রেসলেট নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার অন্যান্য দিকও গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ