নোয়াখালীর সদর উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গভীর রাতে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদের হামলায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় নগদ কয়েক লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ ডাকাত দল।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম মডেল থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) সায়মা সুলতানা। এর আগে বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর গ্রামের তাজু মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গভীর রাতে একদল ডাকাত বাড়ির প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে সোনাপুর এলাকার ব্যবসায়ী মোফাজ্জল হোসেন ফরহাদের কক্ষের দরজা জোরপূর্বক খুলে ঘরে ঢুকে পড়ে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের মারধর করে তাদের হাত-মুখ বেঁধে ফেলে ডাকাতরা।
এরপর ঘরে থাকা প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা নগদ অর্থ এবং আনুমানিক আড়াই থেকে ৩ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে দ্রুত পালিয়ে যায়। ডাকাতদের হামলায় পরিবারের পাঁচ সদস্য আহত হন। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ।
সুধারাম মডেল থানার ডিউটি অফিসার এসআই সায়মা সুলতানা বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গভীর রাতে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদের হামলায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় নগদ কয়েক লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ ডাকাত দল।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম মডেল থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) সায়মা সুলতানা। এর আগে বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর গ্রামের তাজু মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গভীর রাতে একদল ডাকাত বাড়ির প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে সোনাপুর এলাকার ব্যবসায়ী মোফাজ্জল হোসেন ফরহাদের কক্ষের দরজা জোরপূর্বক খুলে ঘরে ঢুকে পড়ে। এ সময় পরিবারের সদস্যদের মারধর করে তাদের হাত-মুখ বেঁধে ফেলে ডাকাতরা।
এরপর ঘরে থাকা প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা নগদ অর্থ এবং আনুমানিক আড়াই থেকে ৩ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে দ্রুত পালিয়ে যায়। ডাকাতদের হামলায় পরিবারের পাঁচ সদস্য আহত হন। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ।
সুধারাম মডেল থানার ডিউটি অফিসার এসআই সায়মা সুলতানা বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন