সাভারের ভাকুর্তায় অবৈধ ব্যাটারি ও চামড়া পোড়ানোর কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া: মৃত্যুমিছিল ও পরিবেশ বিপর্যয়
ঢাকার সাভারের ভাকুর্তা এলাকায় গড়ে ওঠা কয়েকটি অবৈধ ও পরিবেশবিরোধী কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া এবং রাসায়নিক বর্জ্যের কারণে চরম স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে একদিকে যেমন জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে গবাদি পশুর মৃত্যুর ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
পরিবেশ বিপর্যয় ও গবাদি পশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
স্থানীয়দের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অনুযায়ী, কথিত নেতা প্রচ্ছন্ন ও সরাসরি ছত্রছায়ায় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গোপনে অবৈধভাবে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের নামে ক্ষতিকর চামড়া পুড়িয়ে মুরগির খাদ্য (ফিড) উৎপাদন করা হচ্ছে।
এসব অবৈধ কারখানা থেকে নির্গত ঘন কালো বিষাক্ত ধোঁয়া ও রাসায়নিক বর্জ্য আশেপাশের বাতাস, মাটি ও ঘাসকে মারাত্মকভাবে বিষাক্ত করে তুলেছে। এর মর্মান্তিক পরিণতি হিসেবে গত কয়েকদিনে মাঠে ঘাস খেয়ে একের পর এক গবাদি পশু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আজকেও আরও একটি গরু মারা যাওয়ার পর স্থানীয় খামারি ও সাধারণ কৃষকদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এমন ঘটনায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম হয়েছে দরিদ্র পরিবারগুলোর।
জনস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর মারাত্মক ঝুঁকি
বিশেষজ্ঞদের মতে, সিসা এবং পোড়ানো চামড়ার রাসায়নিক উপাদান অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভাকুর্তার বাতাসে ও মাটিতে যেভাবে বিষাক্ত সিসা ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে খুব দ্রুত শুধু গবাদি পশু নয়, এলাকার সাধারণ মানুষও চর্মরোগ, শ্বাসকষ্ট, স্নায়ুরোগসহ বিভিন্ন দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনই এই তাণ্ডব বন্ধ করা না গেলে এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও প্রাকৃতিক পরিবেশ এক অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে।
প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা
এলাকাবাসীর জীবন, জীবিকা ও প্রকৃতি রক্ষায় অনতিবিলম্বে এই অবৈধ ও বিষাক্ত কারখানাগুলো চিরতরে বন্ধ করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ও সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি, পরিবেশ ধ্বংসকারী এই চক্রের মূল হোতা এবং এর সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে স্থানীয় প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) মহোদয়ের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
সাভারের ভাকুর্তায় অবৈধ ব্যাটারি ও চামড়া পোড়ানোর কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া: মৃত্যুমিছিল ও পরিবেশ বিপর্যয়
ঢাকার সাভারের ভাকুর্তা এলাকায় গড়ে ওঠা কয়েকটি অবৈধ ও পরিবেশবিরোধী কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া এবং রাসায়নিক বর্জ্যের কারণে চরম স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ফলে একদিকে যেমন জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে গবাদি পশুর মৃত্যুর ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
পরিবেশ বিপর্যয় ও গবাদি পশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
স্থানীয়দের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অনুযায়ী, কথিত নেতা প্রচ্ছন্ন ও সরাসরি ছত্রছায়ায় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গোপনে অবৈধভাবে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের নামে ক্ষতিকর চামড়া পুড়িয়ে মুরগির খাদ্য (ফিড) উৎপাদন করা হচ্ছে।
এসব অবৈধ কারখানা থেকে নির্গত ঘন কালো বিষাক্ত ধোঁয়া ও রাসায়নিক বর্জ্য আশেপাশের বাতাস, মাটি ও ঘাসকে মারাত্মকভাবে বিষাক্ত করে তুলেছে। এর মর্মান্তিক পরিণতি হিসেবে গত কয়েকদিনে মাঠে ঘাস খেয়ে একের পর এক গবাদি পশু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আজকেও আরও একটি গরু মারা যাওয়ার পর স্থানীয় খামারি ও সাধারণ কৃষকদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এমন ঘটনায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম হয়েছে দরিদ্র পরিবারগুলোর।
জনস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর মারাত্মক ঝুঁকি
বিশেষজ্ঞদের মতে, সিসা এবং পোড়ানো চামড়ার রাসায়নিক উপাদান অত্যন্ত বিপজ্জনক। ভাকুর্তার বাতাসে ও মাটিতে যেভাবে বিষাক্ত সিসা ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে খুব দ্রুত শুধু গবাদি পশু নয়, এলাকার সাধারণ মানুষও চর্মরোগ, শ্বাসকষ্ট, স্নায়ুরোগসহ বিভিন্ন দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনই এই তাণ্ডব বন্ধ করা না গেলে এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও প্রাকৃতিক পরিবেশ এক অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে।
প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা
এলাকাবাসীর জীবন, জীবিকা ও প্রকৃতি রক্ষায় অনতিবিলম্বে এই অবৈধ ও বিষাক্ত কারখানাগুলো চিরতরে বন্ধ করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ও সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি, পরিবেশ ধ্বংসকারী এই চক্রের মূল হোতা এবং এর সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে স্থানীয় প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (UNO) মহোদয়ের জরুরি ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন