সাইবার বুলিং, মানহানি ও অনলাইন হয়রানি থেকে শিক্ষকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পৃথক ‘শিক্ষক সুরক্ষা আইন-২০২৬’ প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন আলোচিত প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রানী পাল। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে যারা নৈতিক সমর্থন জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান বিউটি রানী।
পোস্টে তিনি বলেন, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের সমর্থন তাকে কঠিন সময়ে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে।
তিনি লেখেন, গান, কবিতা, লেখালেখি ও বিভিন্ন সৃজনশীল মাধ্যমে যে প্রতিবাদ, সংহতি ও নৈতিক সমর্থন এসেছে, তা তাকে মানসিকভাবে শক্ত থাকতে সহায়তা করেছে। এই ভালোবাসা ও সহযোগিতা তিনি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন।
শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিউটি রানী বলেন, দ্রুত ‘শিক্ষক সুরক্ষা আইন-২০২৬’ প্রণয়ন করা প্রয়োজন। তার ভাষ্য, এমন একটি আইন হলে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষকই সাইবার বুলিং, মানহানি কিংবা অনলাইন হয়রানির শিকার হবেন না এবং মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
এর আগে, গত ২৬ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার ও সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রানী পাল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জানা যায়, গত ২৩ জুলাই ধারণ করা একটি ভিডিওতে ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের জনপ্রিয় গান ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে’-এর সঙ্গে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে হাঁটতে দেখা যায় তাকে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর একাংশের সমালোচনা, ট্রল ও কটূক্তির মুখে পড়েন তিনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে নিজের নিরাপত্তা ও সম্মান রক্ষার স্বার্থে আইনের আশ্রয় নেন এই শিক্ষিকা।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
সাইবার বুলিং, মানহানি ও অনলাইন হয়রানি থেকে শিক্ষকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পৃথক ‘শিক্ষক সুরক্ষা আইন-২০২৬’ প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন আলোচিত প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রানী পাল। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে যারা নৈতিক সমর্থন জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান বিউটি রানী।
পোস্টে তিনি বলেন, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের সমর্থন তাকে কঠিন সময়ে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে।
তিনি লেখেন, গান, কবিতা, লেখালেখি ও বিভিন্ন সৃজনশীল মাধ্যমে যে প্রতিবাদ, সংহতি ও নৈতিক সমর্থন এসেছে, তা তাকে মানসিকভাবে শক্ত থাকতে সহায়তা করেছে। এই ভালোবাসা ও সহযোগিতা তিনি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন।
শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিউটি রানী বলেন, দ্রুত ‘শিক্ষক সুরক্ষা আইন-২০২৬’ প্রণয়ন করা প্রয়োজন। তার ভাষ্য, এমন একটি আইন হলে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষকই সাইবার বুলিং, মানহানি কিংবা অনলাইন হয়রানির শিকার হবেন না এবং মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
এর আগে, গত ২৬ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার ও সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রানী পাল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জানা যায়, গত ২৩ জুলাই ধারণ করা একটি ভিডিওতে ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের জনপ্রিয় গান ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে’-এর সঙ্গে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে হাঁটতে দেখা যায় তাকে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর একাংশের সমালোচনা, ট্রল ও কটূক্তির মুখে পড়েন তিনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হলে নিজের নিরাপত্তা ও সম্মান রক্ষার স্বার্থে আইনের আশ্রয় নেন এই শিক্ষিকা।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন