পদে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় রাষ্ট্রপতি কোনো আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হবেন না। তবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে বা দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর যদি তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে, সেক্ষেত্রে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে ওঠা প্রশ্নের প্রসঙ্গ এলেও জাহেদ উর রহমান স্পষ্ট করেন, তার বক্তব্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়; এটি রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক অবস্থান সম্পর্কে সাধারণ ব্যাখ্যা।
দায়মুক্তির বিষয়টি নিয়ে জনমনে কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি আইনের আওতায় বিচারের মুখোমুখি হন না। তবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে কিংবা দায়িত্ব শেষে যদি কোনো অসদাচরণের অভিযোগ থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেটি এখনো বহাল আছে। পাশাপাশি কক্সবাজারকে সিটি করপোরেশন ঘোষণার প্রক্রিয়াও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা ৩২ জন যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি কোনো কারণ উল্লেখ করেননি। তার ভাষ্য, সরকারি চাকরি আইনে ২৫ বছর চাকরি পূর্ণ হলে সরকার কারণ দর্শানো ছাড়াই কাউকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ক্ষমতা রাখে।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য নয়; পর্যবেক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক বা প্রাথমিক কোনো আলোচনা শুরু হয়েছে বলে তার জানা নেই।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদও উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
পদে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় রাষ্ট্রপতি কোনো আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হবেন না। তবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে বা দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর যদি তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে, সেক্ষেত্রে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে ওঠা প্রশ্নের প্রসঙ্গ এলেও জাহেদ উর রহমান স্পষ্ট করেন, তার বক্তব্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নয়; এটি রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক অবস্থান সম্পর্কে সাধারণ ব্যাখ্যা।
দায়মুক্তির বিষয়টি নিয়ে জনমনে কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় রাষ্ট্রপতি আইনের আওতায় বিচারের মুখোমুখি হন না। তবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে কিংবা দায়িত্ব শেষে যদি কোনো অসদাচরণের অভিযোগ থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন উপদেষ্টা। তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেটি এখনো বহাল আছে। পাশাপাশি কক্সবাজারকে সিটি করপোরেশন ঘোষণার প্রক্রিয়াও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা ৩২ জন যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সরাসরি কোনো কারণ উল্লেখ করেননি। তার ভাষ্য, সরকারি চাকরি আইনে ২৫ বছর চাকরি পূর্ণ হলে সরকার কারণ দর্শানো ছাড়াই কাউকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ক্ষমতা রাখে।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য নয়; পর্যবেক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক বা প্রাথমিক কোনো আলোচনা শুরু হয়েছে বলে তার জানা নেই।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদও উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন