ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি: বন্ধের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, শেষে উত্তেজনা উঠে এল বিশ্ববিদ্যালয় দখল, আর্থিক অনিয়ম ও অবৈধ ট্রাস্টি বোর্ডের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি



ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি: বন্ধের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, শেষে উত্তেজনা  উঠে এল বিশ্ববিদ্যালয় দখল, আর্থিক অনিয়ম ও অবৈধ ট্রাস্টি বোর্ডের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি
ছবি- প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বোর্ডের দাবিদার চেয়ারম্যান ও পুষ্টিবিদ মো. আলীম উদ্দিন লস্কর। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অবিলম্বে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ, ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন, ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম এবং বিশ্ববিদ্যালয় দখলের অভিযোগ তুলে ধরেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৬টায় চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের শহীদ হাসান চত্বরের মুক্তমঞ্চে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে আকস্মিক বাকবিতণ্ডা শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় একটি রাজনৈতিক দলের কয়েকজন নেতা-কর্মী সেখানে উপস্থিত হয়ে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দেন। একপর্যায়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হলে চরম হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় ‘দি ফার্স্ট ক্যাপিটাল এডুকেশন, হেলথ অ্যান্ড এগ্রিকালচার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’-এর সদস্যরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। তবে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।


আলীম উদ্দিন লস্কর তাঁর লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, ২০১১ সালে ‘দি ফার্স্ট ক্যাপিটাল এডুকেশন, হেলথ অ্যান্ড এগ্রিকালচার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’ গঠিত হয়। এই ট্রাস্টের লক্ষ্য ছিল একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন ডিপ্লোমা কলেজ প্রতিষ্ঠা করা। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে ছিলেন প্রয়াত এমপি সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন (চেয়ারম্যান), আলী ইকবাল জোয়ার্দার (ভাইস চেয়ারম্যান), অধ্যাপক আব্দুল মোতালেব (সেক্রেটারি) এবং আলীম উদ্দিন লস্কর (ট্রেজারার)। এই ট্রাস্টের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) পাঠানো হয়েছিল।


তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৪ সালের শেষ দিক পর্যন্ত প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সহকারী রেজিস্ট্রার নাফিউল ইসলাম জোয়ার্দার শান্ত এবং রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার টোটনের যোগসাজশে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের স্বাক্ষর স্ক্যান করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বেআইনিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়।


সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সোলায়মান হক জোয়ার্দারের মৃত্যুর পর ট্রাস্টের নামে পরিচালিত ব্যাংক হিসাবটি স্থগিত হয়ে যায়। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে রেখে তা অবৈধভাবে ব্যয় ও আত্মসাৎ করা হচ্ছে।


আলীম উদ্দিন লস্কর বলেন, ২০১৫ সালে সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুনকে চেয়ারম্যান রেখেই তাঁর ছোট ভাই রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার টোটনের নেতৃত্বে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ট্রাস্ট’ নামে সম্পূর্ণ নতুন একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়। তাঁর দাবি, এই নতুন ট্রাস্টের আড়ালে মূলত ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি দখল করা হয়েছে। এই দখলের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তিনি টোটন ও তাঁর সহযোগী নাফিউল ইসলাম জোয়ার্দার শান্তকে দায়ী করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ আর্থিক লেনদেনের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।


জানা যায়, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুর পর ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্ট পুনর্গঠন করে আলীম উদ্দিন লস্করকে চেয়ারম্যান এবং আব্দুর রাজ্জাককে সেক্রেটারি করা হয়। অন্যদিকে ২০১৫ সালে গঠিত ট্রাস্টে চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন আক্তারী জোয়ার্দার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার টোটন।


আলীম উদ্দিন লস্কর জানান, গত ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তাঁরা নতুন উপাচার্য নিয়োগ, বিভিন্ন বিভাগে অধ্যাপক নিয়োগ, জনবল সংকট দূরীকরণ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির মতো ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কিন্তু এসব উদ্যোগের পরও গত ২৩ জুলাই ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাফিউল ইসলাম জোয়ার্দার শান্ত রাজনৈতিক বহিরাগতদের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন।


সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে আলীম উদ্দিন লস্কর অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার জোর দাবি জানান। একইসঙ্গে প্রশাসনিক জটিলতার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বোর্ডের অধীনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সুযোগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


ট্রাস্টি বোর্ডের এই প্রকাশ্য বিরোধ ও শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষই পৃথকভাবে সংবাদ সম্মেলন এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলে ধরছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং গোটা চুয়াডাঙ্গাজুড়ে একধরনের থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি: বন্ধের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, শেষে উত্তেজনা উঠে এল বিশ্ববিদ্যালয় দখল, আর্থিক অনিয়ম ও অবৈধ ট্রাস্টি বোর্ডের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

চুয়াডাঙ্গার ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বোর্ডের দাবিদার চেয়ারম্যান ও পুষ্টিবিদ মো. আলীম উদ্দিন লস্কর। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অবিলম্বে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ, ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন, ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম এবং বিশ্ববিদ্যালয় দখলের অভিযোগ তুলে ধরেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৬টায় চুয়াডাঙ্গা বড় বাজারের শহীদ হাসান চত্বরের মুক্তমঞ্চে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তিনি একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে আকস্মিক বাকবিতণ্ডা শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় একটি রাজনৈতিক দলের কয়েকজন নেতা-কর্মী সেখানে উপস্থিত হয়ে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দেন। একপর্যায়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হলে চরম হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় ‘দি ফার্স্ট ক্যাপিটাল এডুকেশন, হেলথ অ্যান্ড এগ্রিকালচার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’-এর সদস্যরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। তবে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।


আলীম উদ্দিন লস্কর তাঁর লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, ২০১১ সালে ‘দি ফার্স্ট ক্যাপিটাল এডুকেশন, হেলথ অ্যান্ড এগ্রিকালচার ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’ গঠিত হয়। এই ট্রাস্টের লক্ষ্য ছিল একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন ডিপ্লোমা কলেজ প্রতিষ্ঠা করা। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে ছিলেন প্রয়াত এমপি সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন (চেয়ারম্যান), আলী ইকবাল জোয়ার্দার (ভাইস চেয়ারম্যান), অধ্যাপক আব্দুল মোতালেব (সেক্রেটারি) এবং আলীম উদ্দিন লস্কর (ট্রেজারার)। এই ট্রাস্টের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মূল প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) পাঠানো হয়েছিল।


তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৪ সালের শেষ দিক পর্যন্ত প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সহকারী রেজিস্ট্রার নাফিউল ইসলাম জোয়ার্দার শান্ত এবং রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার টোটনের যোগসাজশে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের স্বাক্ষর স্ক্যান করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বেআইনিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়।


সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সোলায়মান হক জোয়ার্দারের মৃত্যুর পর ট্রাস্টের নামে পরিচালিত ব্যাংক হিসাবটি স্থগিত হয়ে যায়। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে রেখে তা অবৈধভাবে ব্যয় ও আত্মসাৎ করা হচ্ছে।


আলীম উদ্দিন লস্কর বলেন, ২০১৫ সালে সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুনকে চেয়ারম্যান রেখেই তাঁর ছোট ভাই রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার টোটনের নেতৃত্বে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ‘ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ট্রাস্ট’ নামে সম্পূর্ণ নতুন একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়। তাঁর দাবি, এই নতুন ট্রাস্টের আড়ালে মূলত ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি দখল করা হয়েছে। এই দখলের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তিনি টোটন ও তাঁর সহযোগী নাফিউল ইসলাম জোয়ার্দার শান্তকে দায়ী করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ আর্থিক লেনদেনের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।


জানা যায়, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের মৃত্যুর পর ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্ট পুনর্গঠন করে আলীম উদ্দিন লস্করকে চেয়ারম্যান এবং আব্দুর রাজ্জাককে সেক্রেটারি করা হয়। অন্যদিকে ২০১৫ সালে গঠিত ট্রাস্টে চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন আক্তারী জোয়ার্দার এবং সেক্রেটারি হিসেবে রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দার টোটন।


আলীম উদ্দিন লস্কর জানান, গত ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তাঁরা নতুন উপাচার্য নিয়োগ, বিভিন্ন বিভাগে অধ্যাপক নিয়োগ, জনবল সংকট দূরীকরণ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির মতো ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কিন্তু এসব উদ্যোগের পরও গত ২৩ জুলাই ডেপুটি রেজিস্ট্রার নাফিউল ইসলাম জোয়ার্দার শান্ত রাজনৈতিক বহিরাগতদের সহায়তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন।


সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে আলীম উদ্দিন লস্কর অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার জোর দাবি জানান। একইসঙ্গে প্রশাসনিক জটিলতার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বোর্ডের অধীনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সুযোগ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


ট্রাস্টি বোর্ডের এই প্রকাশ্য বিরোধ ও শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষই পৃথকভাবে সংবাদ সম্মেলন এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলে ধরছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং গোটা চুয়াডাঙ্গাজুড়ে একধরনের থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ