নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পাঁড়োরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক কর্তৃক পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে পাঠদান করছিলেন শিক্ষক রবিউল ইসলাম। এ সময় তিনি এক শিক্ষার্থীর কাছে পড়া জানতে চাইলে শিক্ষার্থী জানায়, তার পড়া প্রস্তুত হয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষক তাকে বেত দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরিবারের দাবি, ঘটনার পর শিক্ষার্থী ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। তবে পরবর্তী দুই দিন রাতে ঘুমের মধ্যে ব্যথায় চিৎকার করলে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে বিদ্যালয়ে মারধরের পুরো ঘটনা খুলে বলে।
ঘটনার দুই দিন পর শিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করেন বলে দাবি করা হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ বিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীও করেছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত শিক্ষক গত দুই দিন ধরে ছুটিতে রয়েছেন।
একাধিক অভিভাবক বলেন, শিক্ষক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
তবে অভিযুক্ত শিক্ষক রবিউল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, "আমি দুই-একটা মেরেছি। কারণ আমি স্কুলেই তাদের কোচিং করাই। তবে মারটা এত বেশি হয়েছে যে দাগ উঠেছে বা সে আহত হয়েছে, তা বুঝতে পারিনি।"
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুদর্শন বলেন, "ম্যানেজিং কমিটিকে নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। তিন হাজার টাকা দিয়ে আপোসের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, বিষয়টি এখনও প্রক্রিয়াধীন।"
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন, "আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পাঁড়োরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক কর্তৃক পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে পাঠদান করছিলেন শিক্ষক রবিউল ইসলাম। এ সময় তিনি এক শিক্ষার্থীর কাছে পড়া জানতে চাইলে শিক্ষার্থী জানায়, তার পড়া প্রস্তুত হয়নি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষক তাকে বেত দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরিবারের দাবি, ঘটনার পর শিক্ষার্থী ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। তবে পরবর্তী দুই দিন রাতে ঘুমের মধ্যে ব্যথায় চিৎকার করলে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে বিদ্যালয়ে মারধরের পুরো ঘটনা খুলে বলে।
ঘটনার দুই দিন পর শিক্ষার্থীর অভিভাবক অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করেন বলে দাবি করা হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ বিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীও করেছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত শিক্ষক গত দুই দিন ধরে ছুটিতে রয়েছেন।
একাধিক অভিভাবক বলেন, শিক্ষক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
তবে অভিযুক্ত শিক্ষক রবিউল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, "আমি দুই-একটা মেরেছি। কারণ আমি স্কুলেই তাদের কোচিং করাই। তবে মারটা এত বেশি হয়েছে যে দাগ উঠেছে বা সে আহত হয়েছে, তা বুঝতে পারিনি।"
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুদর্শন বলেন, "ম্যানেজিং কমিটিকে নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। তিন হাজার টাকা দিয়ে আপোসের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, বিষয়টি এখনও প্রক্রিয়াধীন।"
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন, "আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন