বিশ্বব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও গুরুতর আহতের সংখ্যা কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি কার্যকর বাস্তবায়ন, আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি এ আহ্বান জানান। সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে বাংলাদেশের নেতৃত্বের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অংশ হিসেবে এ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
বক্তব্যে শেখ রবিউল আলম বলেন, কেবল শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললেই হবে না, সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে। নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মধ্যে সমন্বয় থাকলেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবহন, স্বাস্থ্য, পুলিশ, অর্থ, শিক্ষা, পরিবেশ এবং স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়, দায়িত্বের সুস্পষ্ট বণ্টন এবং সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি।
মন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব উদ্যোগকে অবশ্যই শক্তিশালী সরকারি নেতৃত্ব, কার্যকর সমন্বয় এবং জবাবদিহিতার কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হতে হবে।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়ন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
বিশ্বব্যাপী সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও গুরুতর আহতের সংখ্যা কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পাশাপাশি কার্যকর বাস্তবায়ন, আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যৌথ-সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে তিনি এ আহ্বান জানান। সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে বাংলাদেশের নেতৃত্বের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অংশ হিসেবে এ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
বক্তব্যে শেখ রবিউল আলম বলেন, কেবল শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললেই হবে না, সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে। নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মধ্যে সমন্বয় থাকলেই কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবহন, স্বাস্থ্য, পুলিশ, অর্থ, শিক্ষা, পরিবেশ এবং স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়, দায়িত্বের সুস্পষ্ট বণ্টন এবং সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি।
মন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব উদ্যোগকে অবশ্যই শক্তিশালী সরকারি নেতৃত্ব, কার্যকর সমন্বয় এবং জবাবদিহিতার কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হতে হবে।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়ন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

আপনার মতামত লিখুন