এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রের মান নিয়ে বিতর্ক এবং টানা বৃষ্টিতে পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তির প্রতিবাদে ময়মনসিংহে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন থেকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে নগরীর টাউন হল মোড়ে আনন্দ মোহন সরকারি কলেজ, মুমিনুন্নিসা সরকারি কলেজ, ময়মনসিংহ সরকারি মহাবিদ্যালয়, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় তারা ‘শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি চলবে না’, ‘দফা এক, দাবি এক, মিলনের পদত্যাগ’ এবং ‘আমি কে, তুমি কে, ফার্মের মুরগি, ফার্মের মুরগি’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সড়ক অবরোধের কারণে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হলেও পুলিশের সহায়তায় বিকল্প সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল এবং প্রশ্নের মানও তাদের প্রস্তুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়নি। তাদের ভাষ্য, কঠিন প্রশ্ন নিয়ে আপত্তি নেই, তবে যে পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে তারা প্রস্তুতি নিয়েছে, সেই বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে মূল্যায়ন হওয়া উচিত ছিল।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, টানা ভারি বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক পরীক্ষার্থী বুকসমান পানি পেরিয়ে কিংবা এক হাতে ছাতা ধরে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছেন। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিত বা পেছানোর দাবি জানানো হলেও তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
তাদের দাবি, সাম্প্রতিক পরীক্ষাগুলোর প্রশ্নপত্র বোর্ডের প্রচলিত ধারা থেকে অনেকটাই ভিন্ন ছিল। ফলে ভালো প্রস্তুতি নিয়েও অধিকাংশ শিক্ষার্থী প্রত্যাশিতভাবে পরীক্ষা দিতে পারেনি। এছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর কিছু মন্তব্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীরা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া এবং পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো উপযোগী পরিবেশে না আসা পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানান। একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন তারা।
এ বিষয়ে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছেন। অবরোধের কারণে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও বিকল্প সড়ক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রের মান নিয়ে বিতর্ক এবং টানা বৃষ্টিতে পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তির প্রতিবাদে ময়মনসিংহে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন থেকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে নগরীর টাউন হল মোড়ে আনন্দ মোহন সরকারি কলেজ, মুমিনুন্নিসা সরকারি কলেজ, ময়মনসিংহ সরকারি মহাবিদ্যালয়, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়ে সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় তারা ‘শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি চলবে না’, ‘দফা এক, দাবি এক, মিলনের পদত্যাগ’ এবং ‘আমি কে, তুমি কে, ফার্মের মুরগি, ফার্মের মুরগি’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সড়ক অবরোধের কারণে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হলেও পুলিশের সহায়তায় বিকল্প সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল এবং প্রশ্নের মানও তাদের প্রস্তুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়নি। তাদের ভাষ্য, কঠিন প্রশ্ন নিয়ে আপত্তি নেই, তবে যে পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে তারা প্রস্তুতি নিয়েছে, সেই বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে মূল্যায়ন হওয়া উচিত ছিল।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, টানা ভারি বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক পরীক্ষার্থী বুকসমান পানি পেরিয়ে কিংবা এক হাতে ছাতা ধরে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে বাধ্য হয়েছেন। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিত বা পেছানোর দাবি জানানো হলেও তা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।
তাদের দাবি, সাম্প্রতিক পরীক্ষাগুলোর প্রশ্নপত্র বোর্ডের প্রচলিত ধারা থেকে অনেকটাই ভিন্ন ছিল। ফলে ভালো প্রস্তুতি নিয়েও অধিকাংশ শিক্ষার্থী প্রত্যাশিতভাবে পরীক্ষা দিতে পারেনি। এছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর কিছু মন্তব্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীরা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া এবং পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো উপযোগী পরিবেশে না আসা পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত রাখার দাবি জানান। একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন তারা।
এ বিষয়ে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছেন। অবরোধের কারণে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও বিকল্প সড়ক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন