পাকিস্তানের করাচির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে বিচারাধীন বহুল আলোচিত অপহরণ ও ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির মামলায় পাকিস্তানি অভিনেতা মুনিব বাটের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্ত প্রতিবেদনে তাকে সম্পূর্ণ নির্দোষ উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার সর্বশেষ শুনানিতে মুনিব বাটসহ অন্যান্য আসামি আদালতে সশরীরে উপস্থিত হন। শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী তারিখ পর্যন্ত কার্যক্রম মুলতবি করেন।
এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা অ্যান্টি-ভায়োলেন্ট ক্রাইম সেল (এভিসিসি) আদালতে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে জানায়, মুনিব বাটের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য বা পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তাকে নির্দোষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদালত জানিয়েছেন, মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রমে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনসহ উপস্থাপিত সব তথ্য-প্রমাণ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলার শুরুতে অভিযোগ ছিল, মূল অভিযুক্তদের জন্য পাকিস্তানের মারি এলাকায় গোপনে থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন মুনিব বাট। তবে দীর্ঘ তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগের কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
এদিকে, মামলার অন্যতম অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা গালিব এখনো পলাতক রয়েছেন।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল করাচির শাহরাহ-ই-ফয়সাল এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে জিম্মি করে তার কাছ থেকে আনুমানিক ২৪ লাখ ৯৪ হাজার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তবে ওই অর্থের হিসাব কোন দেশের মুদ্রায় করা হয়েছে, তা মামলার নথিতে স্পষ্ট করা হয়নি।
মামলার নথি অনুযায়ী, লুটপাটের পর ভুক্তভোগীকে করাচির কোরাঙ্গি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা।
বর্তমানে মুনিব বাট, মহসিন রাজপার ও আব্দুল রেহমান চান্দিও আদালতের দেওয়া জামিনে রয়েছেন। পরবর্তী শুনানিতে মামলার আইনি কার্যক্রম আবারও শুরু হবে।
সূত্র: সামা টিভি

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
পাকিস্তানের করাচির একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালতে বিচারাধীন বহুল আলোচিত অপহরণ ও ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির মামলায় পাকিস্তানি অভিনেতা মুনিব বাটের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্ত প্রতিবেদনে তাকে সম্পূর্ণ নির্দোষ উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার সর্বশেষ শুনানিতে মুনিব বাটসহ অন্যান্য আসামি আদালতে সশরীরে উপস্থিত হন। শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী তারিখ পর্যন্ত কার্যক্রম মুলতবি করেন।
এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা অ্যান্টি-ভায়োলেন্ট ক্রাইম সেল (এভিসিসি) আদালতে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে জানায়, মুনিব বাটের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য বা পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তাকে নির্দোষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদালত জানিয়েছেন, মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রমে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনসহ উপস্থাপিত সব তথ্য-প্রমাণ গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মামলার শুরুতে অভিযোগ ছিল, মূল অভিযুক্তদের জন্য পাকিস্তানের মারি এলাকায় গোপনে থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন মুনিব বাট। তবে দীর্ঘ তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগের কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
এদিকে, মামলার অন্যতম অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা গালিব এখনো পলাতক রয়েছেন।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল করাচির শাহরাহ-ই-ফয়সাল এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়। পরে তাকে জিম্মি করে তার কাছ থেকে আনুমানিক ২৪ লাখ ৯৪ হাজার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তবে ওই অর্থের হিসাব কোন দেশের মুদ্রায় করা হয়েছে, তা মামলার নথিতে স্পষ্ট করা হয়নি।
মামলার নথি অনুযায়ী, লুটপাটের পর ভুক্তভোগীকে করাচির কোরাঙ্গি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা।
বর্তমানে মুনিব বাট, মহসিন রাজপার ও আব্দুল রেহমান চান্দিও আদালতের দেওয়া জামিনে রয়েছেন। পরবর্তী শুনানিতে মামলার আইনি কার্যক্রম আবারও শুরু হবে।
সূত্র: সামা টিভি

আপনার মতামত লিখুন