শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের ক্ষমা প্রার্থনাসহ ৮ দফা দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাদের কর্মসূচির কারণে ঢাকা-বিমানবন্দর সড়ক ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে রাজধানীর উত্তরাসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটি এবং পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কের উভয় পাশে অবস্থান নেন। পরে সেখানে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলমান বন্যা, টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। অনেকেই সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রতি অবিচার বলেও তারা অভিযোগ করেন।
তাদের ভাষ্য, তারা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে চান না। তবে প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটি, পরীক্ষা পরিচালনায় সমন্বয়হীনতা এবং শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের বিষয়গুলো বারবার তুলে ধরলেও কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা সড়কে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হলে পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে সচিবালয় ঘেরাও করা হবে।
আন্দোলনকারীদের ৮ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, প্রশ্নপত্র ও পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা, এইচএসসি-২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো ধরনের বিতর্কিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা গবেষণা বন্ধ করা, অনুকূল পরিবেশ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখা, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে অতিরিক্ত ১৪ নম্বর প্রদান।
এ ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শিক্ষার্থী-বান্ধব ও চাপমুক্ত করা, গত দুই বছরের প্রস্তুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবিও জানান তারা।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছিলেন। তাদের অবরোধের কারণে উত্তরার বিভিন্ন সেক্টরের অভ্যন্তরীণ সড়কেও যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর বলেন, "শিক্ষার্থীরা এখনও মহাসড়কে অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আমরা কাজ করছি।"

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের ক্ষমা প্রার্থনাসহ ৮ দফা দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাদের কর্মসূচির কারণে ঢাকা-বিমানবন্দর সড়ক ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে রাজধানীর উত্তরাসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটি এবং পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কের উভয় পাশে অবস্থান নেন। পরে সেখানে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলমান বন্যা, টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন। অনেকেই সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রতি অবিচার বলেও তারা অভিযোগ করেন।
তাদের ভাষ্য, তারা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে চান না। তবে প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটি, পরীক্ষা পরিচালনায় সমন্বয়হীনতা এবং শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের বিষয়গুলো বারবার তুলে ধরলেও কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা সড়কে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নেওয়া না হলে পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে সচিবালয় ঘেরাও করা হবে।
আন্দোলনকারীদের ৮ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, প্রশ্নপত্র ও পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা, এইচএসসি-২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো ধরনের বিতর্কিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা গবেষণা বন্ধ করা, অনুকূল পরিবেশ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত রাখা, পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাওয়া এবং বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে অতিরিক্ত ১৪ নম্বর প্রদান।
এ ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শিক্ষার্থী-বান্ধব ও চাপমুক্ত করা, গত দুই বছরের প্রস্তুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবিও জানান তারা।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছিলেন। তাদের অবরোধের কারণে উত্তরার বিভিন্ন সেক্টরের অভ্যন্তরীণ সড়কেও যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর বলেন, "শিক্ষার্থীরা এখনও মহাসড়কে অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আমরা কাজ করছি।"

আপনার মতামত লিখুন