টাঙ্গাইলের কুইজবাড়ী এলাকায় ব্যবসায়ী মাসুদ রানা হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের সঙ্গে এক নারীর পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই নারী, তার দুই ছেলেসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, কুইজবাড়ী পশ্চিমপাড়ার মৃত শওকত আলীর স্ত্রী মোছা. হনুফা বেগম (৩৮), তার ছেলে মো. হুমায়ুন (২২), একই এলাকার মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে নূর মোহাম্মদ (২৬) ও মো. বাবু (২৮), এবং কুইজবাড়ী দক্ষিণপাড়ার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে মো. আয়নাল হক (৫৫)। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নিহত ব্যবসায়ী মাসুদ রানার সঙ্গে হনুফা বেগমের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে হনুফার ছেলেরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা সহযোগীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে মাসুদ রানাকে হত্যা করে। ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, গত ৫ জুলাই মাসুদ রানার মরদেহ উদ্ধারের পর সন্দেহভাজন হিসেবে হনুফা বেগমকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি হত্যার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতার পাঁচ আসামিই শুক্রবার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি হাতুড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেফতার ও উদ্ধার হওয়া আলামতের মাধ্যমে মামলার গুরুত্বপূর্ণ রহস্য উন্মোচিত হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
টাঙ্গাইলের কুইজবাড়ী এলাকায় ব্যবসায়ী মাসুদ রানা হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের সঙ্গে এক নারীর পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই নারী, তার দুই ছেলেসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, কুইজবাড়ী পশ্চিমপাড়ার মৃত শওকত আলীর স্ত্রী মোছা. হনুফা বেগম (৩৮), তার ছেলে মো. হুমায়ুন (২২), একই এলাকার মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে নূর মোহাম্মদ (২৬) ও মো. বাবু (২৮), এবং কুইজবাড়ী দক্ষিণপাড়ার মৃত রুস্তম আলীর ছেলে মো. আয়নাল হক (৫৫)। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নিহত ব্যবসায়ী মাসুদ রানার সঙ্গে হনুফা বেগমের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে হনুফার ছেলেরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা সহযোগীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে মাসুদ রানাকে হত্যা করে। ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, গত ৫ জুলাই মাসুদ রানার মরদেহ উদ্ধারের পর সন্দেহভাজন হিসেবে হনুফা বেগমকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি হত্যার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে মামলার বাকি আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতার পাঁচ আসামিই শুক্রবার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি হাতুড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, গ্রেফতার ও উদ্ধার হওয়া আলামতের মাধ্যমে মামলার গুরুত্বপূর্ণ রহস্য উন্মোচিত হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এস.আর

আপনার মতামত লিখুন