ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, শিক্ষায় বিনিয়োগ মানেই দেশের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ। আর্থিক সংকটের কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর লেখাপড়া যেন ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাবৃত্তি ও সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
শনিবার দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর মনিচত্বরস্থ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে। একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হলো শিক্ষা। তাই এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য, যেখানে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো শিক্ষার্থী তার মেধা বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না।
তিনি আরও বলেন, মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়নের পাশাপাশি শিক্ষার প্রসারে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকেও আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি ও পারিবারিক আর্থিক চাপের কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে যেতে নানা সংকটে পড়ছে। এ বাস্তবতায় সরকারি ও স্থানীয় পর্যায়ের শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচি শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়ার হার কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ এবং জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা। এছাড়াও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী ৪৮২ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। পরে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষাবৃত্তির পরিধি আরও বাড়ানো হলে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার পথে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, শিক্ষায় বিনিয়োগ মানেই দেশের ভবিষ্যতে বিনিয়োগ। আর্থিক সংকটের কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর লেখাপড়া যেন ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাবৃত্তি ও সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
শনিবার দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর মনিচত্বরস্থ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে। একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হলো শিক্ষা। তাই এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য, যেখানে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো শিক্ষার্থী তার মেধা বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে না।
তিনি আরও বলেন, মেধা ও যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়নের পাশাপাশি শিক্ষার প্রসারে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকেও আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি ও পারিবারিক আর্থিক চাপের কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে যেতে নানা সংকটে পড়ছে। এ বাস্তবতায় সরকারি ও স্থানীয় পর্যায়ের শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচি শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়ার হার কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ এবং জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমা। এছাড়াও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী ৪৮২ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে মোট ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়। পরে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের হাতে এককালীন শিক্ষাবৃত্তির চেক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষাবৃত্তির পরিধি আরও বাড়ানো হলে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার পথে আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন