কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় পৃথক দুটি চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ২২ বস্তা ইউরিয়া সার ও একটি ইজিবাইক উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৮ জুলাই পালংখালী সীমান্ত এলাকায় দুটি পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথম অভিযানে পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল আনজুমানপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পালংখালী বাজার থেকে আসা একটি ইজিবাইক থামানোর সংকেত দিলে চালক সেটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ইজিবাইকে থাকা পাঁচ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে চোরাচালানে ব্যবহৃত ইজিবাইকটিও জব্দ করা হয়।
একই দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিষ সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত আরেকটি অভিযানে পালংখালী বিওপি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে গয়ালমারা এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় আরও ১৭ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার করা হয়। বিজিবির ধারণা, এসব সার বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে সেখানে মজুদ করে রাখা হয়েছিল।
বিজিবি জানায়, অভিযানের সময় চোরাকারবারিদের আটক করতে এলাকায় চিরুনি অভিযান চালানো হলেও তারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। উদ্ধার হওয়া মোট ২২ বস্তা ইউরিয়া সার, একটি ইজিবাইক এবং পলাতক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় যেকোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় পৃথক দুটি চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ২২ বস্তা ইউরিয়া সার ও একটি ইজিবাইক উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৮ জুলাই পালংখালী সীমান্ত এলাকায় দুটি পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রথম অভিযানে পালংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল আনজুমানপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পালংখালী বাজার থেকে আসা একটি ইজিবাইক থামানোর সংকেত দিলে চালক সেটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ইজিবাইকে থাকা পাঁচ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে চোরাচালানে ব্যবহৃত ইজিবাইকটিও জব্দ করা হয়।
একই দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিষ সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত আরেকটি অভিযানে পালংখালী বিওপি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে গয়ালমারা এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় আরও ১৭ বস্তা ইউরিয়া সার উদ্ধার করা হয়। বিজিবির ধারণা, এসব সার বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে সেখানে মজুদ করে রাখা হয়েছিল।
বিজিবি জানায়, অভিযানের সময় চোরাকারবারিদের আটক করতে এলাকায় চিরুনি অভিযান চালানো হলেও তারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। উদ্ধার হওয়া মোট ২২ বস্তা ইউরিয়া সার, একটি ইজিবাইক এবং পলাতক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় যেকোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন