গত তিন দিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। কোথাও হালকা, কোথাও মাঝারি, আবার কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য তিন জেলাসহ দেশের কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টিতে নদ-নদীর পানিও বাড়ছে, যা নিম্নাঞ্চলে দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালেও ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহসহ দেশের অধিকাংশ জেলায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ আরও বেড়েছে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি ৩২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামের আমবাগান স্টেশনে।
এ ছাড়া কুতুবদিয়ায় ৩০০ মিলিমিটার, চট্টগ্রাম শহরে ২৪৯ মিলিমিটার, বান্দরবানে ২৩৫ মিলিমিটার, গোপালগঞ্জে ১৪২ মিলিমিটার, রাঙামাটিতে ১৩০ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১২৫ মিলিমিটার এবং তেতুঁলিয়ায় ১২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
এদিকে, বিরূপ আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী অন্তত দুই দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
সবশেষ পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, শুক্রবারও ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ দেশের অন্তত ছয়টি বিভাগে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে পরবর্তী পাঁচ দিনের বর্ধিত পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা ধীরে ধীরে কমে আসার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
গত তিন দিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। কোথাও হালকা, কোথাও মাঝারি, আবার কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য তিন জেলাসহ দেশের কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টিতে নদ-নদীর পানিও বাড়ছে, যা নিম্নাঞ্চলে দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালেও ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহসহ দেশের অধিকাংশ জেলায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ আরও বেড়েছে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি ৩২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামের আমবাগান স্টেশনে।
এ ছাড়া কুতুবদিয়ায় ৩০০ মিলিমিটার, চট্টগ্রাম শহরে ২৪৯ মিলিমিটার, বান্দরবানে ২৩৫ মিলিমিটার, গোপালগঞ্জে ১৪২ মিলিমিটার, রাঙামাটিতে ১৩০ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১২৫ মিলিমিটার এবং তেতুঁলিয়ায় ১২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
এদিকে, বিরূপ আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী অন্তত দুই দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
সবশেষ পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, শুক্রবারও ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রামসহ দেশের অন্তত ছয়টি বিভাগে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে পরবর্তী পাঁচ দিনের বর্ধিত পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা ধীরে ধীরে কমে আসার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন