পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি লঞ্চঘাট থেকে গভীর বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা জেলেদের একজন আল-আমিনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি ভোলার একটি মাছ ধরার ট্রলারে রয়েছেন এবং পরিবারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে সুস্থ থাকার খবর জানিয়েছেন। তিনি আগামীকাল নিজ বাড়িতে ফিরবেন বলেও পরিবারকে জানিয়েছেন।
এর আগে ট্রলারডুবির ঘটনায় ১১ জন জেলের মধ্যে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ৬ জন নিখোঁজ ছিলেন। আল-আমিন জীবিত উদ্ধার হওয়ায় নিখোঁজের সংখ্যা কমে এখন ৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পানপট্টি ইউনিয়নের তুলারাম গ্রামের এমাদুল খাঁ, খরিদা গ্রামের হারুন হাওলাদার, গজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ইছাদী গ্রামের ফোরকান সিকদার, তাঁর ছেলে সায়েম এবং পক্ষিয়া গ্রামের আক্কাস।
জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাতে পানপট্টি লঞ্চঘাট এলাকার মো. এমদাদুল সিকদারের মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলার মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায়। পরে বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।
গলাচিপা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী জানান, ট্রলারডুবির পর থেকেই স্থানীয় জেলে, কোস্ট গার্ড, মৎস্য বিভাগ এবং গলাচিপা, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান চলছে। নিখোঁজ পাঁচ জেলের সন্ধানে গভীর সমুদ্রে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে আল-আমিন জীবিত উদ্ধারের খবরে তাঁর পরিবারে স্বস্তি ফিরলেও নিখোঁজ অন্য পাঁচ জেলের পরিবার এখনো উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। দ্রুত তাঁদেরও জীবিত উদ্ধার করা হবে—এমন প্রত্যাশা করছেন স্বজনরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি লঞ্চঘাট থেকে গভীর বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ থাকা জেলেদের একজন আল-আমিনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি ভোলার একটি মাছ ধরার ট্রলারে রয়েছেন এবং পরিবারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলে সুস্থ থাকার খবর জানিয়েছেন। তিনি আগামীকাল নিজ বাড়িতে ফিরবেন বলেও পরিবারকে জানিয়েছেন।
এর আগে ট্রলারডুবির ঘটনায় ১১ জন জেলের মধ্যে ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ৬ জন নিখোঁজ ছিলেন। আল-আমিন জীবিত উদ্ধার হওয়ায় নিখোঁজের সংখ্যা কমে এখন ৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
এখনো নিখোঁজ রয়েছেন পানপট্টি ইউনিয়নের তুলারাম গ্রামের এমাদুল খাঁ, খরিদা গ্রামের হারুন হাওলাদার, গজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ইছাদী গ্রামের ফোরকান সিকদার, তাঁর ছেলে সায়েম এবং পক্ষিয়া গ্রামের আক্কাস।
জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাতে পানপট্টি লঞ্চঘাট এলাকার মো. এমদাদুল সিকদারের মালিকানাধীন একটি ফিশিং ট্রলার মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায়। পরে বৈরী আবহাওয়া ও ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।
গলাচিপা সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী জানান, ট্রলারডুবির পর থেকেই স্থানীয় জেলে, কোস্ট গার্ড, মৎস্য বিভাগ এবং গলাচিপা, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান চলছে। নিখোঁজ পাঁচ জেলের সন্ধানে গভীর সমুদ্রে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে আল-আমিন জীবিত উদ্ধারের খবরে তাঁর পরিবারে স্বস্তি ফিরলেও নিখোঁজ অন্য পাঁচ জেলের পরিবার এখনো উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। দ্রুত তাঁদেরও জীবিত উদ্ধার করা হবে—এমন প্রত্যাশা করছেন স্বজনরা।

আপনার মতামত লিখুন