নওগাঁর মান্দা উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের জিওইল গ্রামের মমিনপাড়া থেকে রেজাউলের জমি পর্যন্ত ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ১ কিলোমিটার এইচবিবি (সিসি ব্লক) সড়ক নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলামের যোগসাজশে নির্মাণবিধি উপেক্ষা করে নিম্নমানের কাজ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে একাধিকবার অবহিত করা হলেও তিনি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি। ফলে সরকারের বিপুল অর্থ অপচয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা টেকসইকরণে হেরিং বোন বন্ড (এইচবিবি) করণ (দ্বিতীয় পর্যায়) (দ্বিতীয় সংশোধন) প্রকল্পের আওতায় পরানপুর ইউনিয়নের জিওইল গ্রামের মমিনপাড়া থেকে রেজাউলের জমি পর্যন্ত ১ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে মান্দা উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স অভি এন্টারপ্রাইজ এবং অর্থায়ন করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম, ইমদাদুল, আব্দুর রশিদ, শাহিদুজ্জামান, আব্দুর রহমান, রফিকুল, সাদেকুল ইসলাম ও সাইদুর রহমান অভিযোগ করেন, বক্স কাটিং ও বালু ভরাটের পর প্রয়োজনীয় কম্পেকশন ছাড়াই সিসি ব্লক বসানো হচ্ছে।
এছাড়া নিম্নমানের সিসি ব্লক ব্যবহার এবং গাইডওয়াল নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করে বলেন- প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও এখনো কাজ সম্পন্ন হয়নি। গুণগত মান নিশ্চিত না করেই দ্রুত কাজ শেষ করে বিল উত্তোলনের চেষ্টা চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকির অভাবেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসব অনিয়ম করার সুযোগ পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, সরকারি অর্থে নির্মিত এই সড়কটি দীর্ঘদিন টেকসই থাকার কথা থাকলেও নিম্নমানের কাজের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই এটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা অবিলম্বে নির্মাণকাজ বন্ধ রেখে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মানসম্মতভাবে পুনরায় নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “সিডিউল অনুযায়ী এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার তদারকিতে কাজ করা হচ্ছে। কোনো ধরনের সমস্যা থাকার কথা নয়।”
এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলামের কাছে রাস্তার কাজের অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।”
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আশেকুল রহমানের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর মান্দা উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের জিওইল গ্রামের মমিনপাড়া থেকে রেজাউলের জমি পর্যন্ত ৯৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ১ কিলোমিটার এইচবিবি (সিসি ব্লক) সড়ক নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলামের যোগসাজশে নির্মাণবিধি উপেক্ষা করে নিম্নমানের কাজ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে একাধিকবার অবহিত করা হলেও তিনি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি। ফলে সরকারের বিপুল অর্থ অপচয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা টেকসইকরণে হেরিং বোন বন্ড (এইচবিবি) করণ (দ্বিতীয় পর্যায়) (দ্বিতীয় সংশোধন) প্রকল্পের আওতায় পরানপুর ইউনিয়নের জিওইল গ্রামের মমিনপাড়া থেকে রেজাউলের জমি পর্যন্ত ১ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে মান্দা উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স অভি এন্টারপ্রাইজ এবং অর্থায়ন করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম, ইমদাদুল, আব্দুর রশিদ, শাহিদুজ্জামান, আব্দুর রহমান, রফিকুল, সাদেকুল ইসলাম ও সাইদুর রহমান অভিযোগ করেন, বক্স কাটিং ও বালু ভরাটের পর প্রয়োজনীয় কম্পেকশন ছাড়াই সিসি ব্লক বসানো হচ্ছে।
এছাড়া নিম্নমানের সিসি ব্লক ব্যবহার এবং গাইডওয়াল নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করে বলেন- প্রকল্পের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলেও এখনো কাজ সম্পন্ন হয়নি। গুণগত মান নিশ্চিত না করেই দ্রুত কাজ শেষ করে বিল উত্তোলনের চেষ্টা চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকির অভাবেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসব অনিয়ম করার সুযোগ পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, সরকারি অর্থে নির্মিত এই সড়কটি দীর্ঘদিন টেকসই থাকার কথা থাকলেও নিম্নমানের কাজের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই এটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা অবিলম্বে নির্মাণকাজ বন্ধ রেখে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মানসম্মতভাবে পুনরায় নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি জয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “সিডিউল অনুযায়ী এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার তদারকিতে কাজ করা হচ্ছে। কোনো ধরনের সমস্যা থাকার কথা নয়।”
এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ইঞ্জিনিয়ার আরিফুল ইসলামের কাছে রাস্তার কাজের অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।”
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আশেকুল রহমানের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন